বরেন্দ্র অঞ্চলে সমন্বিত উপায়ে ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারে নীতিমালা তৈরিতে গুরুত্বরোপ

আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০১৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক



বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানি বিষয়ে পলিসি ডিসকাশন কর্মশালায় বক্তারা বরেন্দ্র অঞ্চলে সমন্বিত উপায়ে ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারে নীতিমালা তৈরির ওপর গুরুত্বরোপ করেন। বক্তারা বলেন এ অঞ্চলের পানির সুশাসন নিশ্চিত করাই প্রধান সমস্যা। সম্পৃক্ত জনগোষ্ঠির মতামত নিয়েই পলিসি প্রণয়ন করতে হবে। আর সমন্বিত ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবস্থাপনার নেতৃত্ব বরেন্দ্র বহুমুখি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকেই দিতে হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ড. এম আকরাম হোসেন চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন, বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী মো. আব্দুর রশিদ।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য প্রফেসর চৌধুরী সারওয়ার জাহানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন, ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের শিক্ষক ড. উইলিয়াম জি বার্জেস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যলিয়ের শিক্ষক প্রফেসর কাজী মতিন, প্রফেসর কামরুল হাসান, সুইস রেডক্রসের কান্ট্রি রিপ্রেজেটেটিভ অমিতাভ শর্মা, প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম, ডাসকোর আকরাম হোসেন, বিএমডিএর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল কাসেম, রুলফাওয়ের পরিচালক আফজাল হোসন, গবেষক রাজ্জাকুল ইসলাম, সাংবাদিক আকবারুল হাসান মিল্লাত. কৃষিবিদ এম আবু মুসা প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক সম্পদ হিসিবে ভূর্ভস্থ পানির ব্যাপারটি গুরুত্ব পায় না। অথচ এটিই একমাত্র সম্পদ যা মানুষের দৈনন্দিন জীবন-জীবিকা ও সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। খাদ্য নিরাপত্তা ও নিরাপদ পানির উৎস হিসেবে ভূগর্ভস্থ পানির গুরুত্ব অপরিসিম।
বক্তাদের মতে বরেন্দ্র অঞ্চল ভূ-প্রাকৃতিকভাবেই একটি বিশেষায়িত অঞ্চল। সেদিক বিবেচনা করেই সমন্বিত পলিসি প্রণয়ন খুবই গরুত্বপূর্ণ। পরিবেশ সুরক্ষা দিয়েই ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
বক্তাদের মতে ভূগর্ভস্ত পানির ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পানির অপচয় হয়। এ বিষয়টি একদম গুরুত্ব পায় না। এ ব্যাপারে পরিকল্পনা- কৌশল গ্রহণ করে এ পরিস্থিতির দ্রুত উন্নয়ন দরকার। বরেন্দ্র অঞ্চলের আদিবাসীরা এখনো পুকুরের অনিরাপদ পানি পান করে। অন্যদিকে সেচকার্যে নিরাপদ পানির ব্যবহার ও অপচয় হয়। এটি একটি অন্যায় ব্যবস্থা। এর অবসান হওয়া দরকার।
বক্তারা বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলের জ্জ ফসলি জমির ওপর নির্বিচার শিল্প-কারখানা গড়ে তোলা হচ্ছে এবং কৃষি জমি খনন করে মাচ চাষ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারেও সুনির্দিষ্ট নীিিতমালা থাকা দরবার।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ