বর্ষায় চোখ থাক সুস্থ

আপডেট: জুলাই ৯, ২০১৭, ১:০২ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


ভেজা আবহাওয়ায় রোগ ছড়ায় বেশি। বর্ষাকালে তাই চোখের বিভিন্ন রোগ হওয়ার সম্ভবনাও বেশি থাকে।
চোখওঠা, অঞ্জলি হওয়াসহ বিভিন্ন রোগ থেকে বাঁচতে সাবধান থাকা দরকার। আর সেই পন্থাই জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইট।
ব্যক্তিগত জিনিসে ভাগাভাগি নয়: তোয়ালে, গামছা, রুমাল, চশমা ইত্যাদি ব্যক্তিগত জিনিস অন্যের সঙ্গে ভাগাভাগি করার মাধ্যমে রোগের জীবাণু ছড়াতে পারে। তাই নিজেরগুলো আগলে রাখতে হবে, অন্যেরগুলো ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।
নিজস্ব পরিচ্ছন্নতা: বৃষ্টিতে ভেজার পর পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে গোসল করা কিংবা হাত-মুখ ধোয়া অত্যন্ত জরুরি। আর চোখের জন্য চাই বাড়তি সতর্কতা। কারণ বৃষ্টির পানিতে থাকা বিভিন্ন ক্ষতিকর জীবাণু চোখের জন্য হুমকি দাঁড়াতে পারে।
ধোয়ার পর পরিষ্কার ও নরম তোয়ালে কিংবা গামছা দিয়ে চোখ মুছে নিতে হবে ভালোভাবে। আর বৃষ্টিতে না ভিজলেও বাইরে থেকে ঘরে আসার পর নিজেকে পরিষ্কার করা জরুরি। স্বাস্থ্যকর এই অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে চোখে রোগ হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে।
চোখ ডলা: পোকা-মাকড় বা ধুলাবালি ঢুকে পড়লে অনেকেই চোখ ডলা শুরু করেন, যা অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর ফলে চুলকানি বা অস্বস্তি চলে গেলেও পরে চোখ ধুতেও ভুলে যান। ভবিষ্যতে চোখের মারাত্বক ক্ষতির কারণ হতে পারে এটি।
তাই চোখ না ডলে পরিষ্কার পানির ঝাপটা দিতে হবে। বালতিতে পানি নিয়ে তাতে চোখ খোলা অবস্থায় মুখ ডুবিয়ে ঘন ঘন পলক ফেললে পোকা বা বালিকণা ধুয়ে যাবে। তবে অস্বস্তি না গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
যারা লেন্স পরেন: চোখ লাল হয়ে থাকলে নিজেই ডাক্তার হয়ে ড্রপ কিনে ব্যবহার করা উচিত নয়, চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আর বর্ষায় চোখে লেন্স না পরাই নিরাপদ, চশমা ব্যবহার করতে হবে। আর লেন্স যদি পরতেই হয় তবে প্রতিবার ব্যবহারের আগে তা ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। লেন্স পরা অবস্থায় চোখে বাতাস, বৃষ্টি এবং পানির ঝাপটা লাগতে দেওয়া যাবে না।
চোখ পরিষ্কার: অন্তত চোখের জন্য রুমালের পরিবর্তে টিস্যু ব্যবহার করা উচিত। আর রুমাল কিংবা তোয়ালে দিয়ে চোখ মোছার আগে তা রোগ জীবাণু মুক্ত কিনা তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ