বশ্বিাসরে জয়, বাঁক বদলরে জয়

আপডেট: মার্চ ২১, ২০১৭, ১:১৭ পূর্বাহ্ণ

আরফিুল ইসলাম রনি



“তলি ধারণরে ঠাঁই নইে”, রূপক কথাটওি সদেনি যনে সত্যি হয়ে ফুটে উঠছেলি। বঙ্গবন্ধু স্টডেয়িাম ছলি কানায় কানায় র্পূণ। উপলক্ষ্য বাংলাদশেরে শততম ওয়ানড।ে ২০০৪ সাল,ে প্রতপিক্ষ ভারত। সইে জনসমুদ্র উচ্ছ্বাসরে ঢউেয়ে উত্তাল হয়ছেলি বাংলাদশেরে ঐতহিাসকি জয়।ে শুরু হয়ছেলি নতুন এক অধ্যায়রে। শততম টস্টেরে জয়ওে সূচনা হতে পারে সাদা পোশাকে রঙনি অধ্যায়রে।
শততম টস্টে আর ওয়ানডকেে এক সুতোয় গাঁথা যায় জয়রে ফুল দয়িইে। তবে শুধু এটুকুই নয়। দুই ফুলরে পাপড়গিুলোও একই রঙরে! শততম ওয়ানডরে জয়টি ছলি ভারতরে বপিক্ষে বাংলাদশেরে প্রথম জয়। শততম টস্টেরে জয় শ্রীলঙ্কার বপিক্ষে প্রথম।
ওয়ানডরে সইে জয়ও এসছেলি বাংলাদশে ক্রকিটেে ভীষণ প্রয়োজনরে সময়। বস্মিয়কর হলওে সত্য,ি দশেরে মাটতিে তখনও কোনো ওয়ানডে জতিতে পারনেি বাংলাদশে। একটি জয়রে জন্য ছলি চাতক পাখরি প্রতীক্ষা। শততম ম্যাচে জয়রে বৃষ্টতিে ভজোর আকাঙ্ক্ষাতইে সদেনি গ্যালারতিে ছলি উপচে পড়া ভড়ি।
এবার খলো বদিশেরে মাটতি।ে সর্মথকদরে ছোট্ট একটি দল ছাড়া বাংলাদশেরে সর্মথনে উচ্চকতি নয় গ্যালার।ি তবে জয়টা এবারও ছলি একই রকম আকাক্সক্ষিত। জয়রে আশা নয়িে শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার পর প্রথম টস্টেরে বাজে হার এসছেলি বড় ধাক্কা হয়।ে পাশাপাশি মাঠরে বাইররে নানা বর্তিকে দল ছলি জরেবার। ড্রসেংি রুমরে আবহ নয়িওে ছলি নানা গুঞ্জন। এই সব কছিুর সবচয়েে বড় দাওয়াই ছলি জয়।
দুটি জয়রে আরকেটি বড় মলি হয়ে উঠতে পারে জয়রে সুবাস। সবোর ভারতকে হারয়িে ওয়ানডতেে শুরু হয়ছেলি নতুন পথচলা। শততম ম্যাচরে আগে টস্টেরে চয়েে ওয়ানডরে পরসিংখ্যান বাংলাদশেরে জন্য ছলি আরও করুণ। ৯৯ ম্যাচে জয় ছলি স্রফে ৫ট।ি বড় জয় বলতে ১৯৯৯ বশ্বিকাপে পাকস্তিানকে হারানো। বাকি চার জয় কনেয়িা, স্কটল্যান্ড, জম্বিাবুয়ে ও হংকংয়রে বপিক্ষ।ে
শততম ম্যাচে সৌরভ গাঙ্গুলরি ভারতকে হারানোর পরই বাংলাদশে পায় সইে আত্মবশ্বিাস, যটেরি নাম ‘আমরাও পার’ি। সইে আত্মবশ্বিাসরে ছােঁযাতইে বাংলাদশে এগয়িে যায় সামন।ে কয়কে মাস পর হারায় অস্ট্রলেয়িাক,ে পররে বছর শ্রীলঙ্কাক।ে জম্বিাবুয়কেে হারানো শুরু করে নয়িমতি।
শততম টস্টেরে জয়টওি বাংলাদশেরে জন্য হতে পারে একই রকম টনকি। গত অক্টোবরে মরিপুর টস্টেে ইংল্যান্ডকে হারানো সম্ভব হয়ছেে বট।ে তবে সটেি ছলি র্টানংি উইকটে,ে নজিদেরে পরচিতি আঙনিা আর আবহ।ে টস্টে ক্রকিটেে উন্নতরি র্বাতা ক্রকিটে বশ্বিে ছড়য়িে দতিে বদিশেরে মাটতিে একটি জয় জরুরি ছলি। তার চয়েে গুরুত্বর্পূণ ছলি নজিদেরে আত্মবশ্বিাসরে জন্য।
দশেরে মাটি বরাবরই শ্রীলঙ্কার র্দুগ। এই টস্টেরে আগরে দশেে টানা ৬ টস্টে জতিছেে তারা। সইে শ্রীলঙ্কার বপিক্ষে সরিজিে পছিয়িে পড়ে ফরিে আসা এবং মাঠরে বাইররে সব বর্তিককে বৃদ্ধাঙ্গলি দখোনো, এই জয় হতে পারে অফুরন্ত আত্মবশ্বিাসরে রসদ।
টস্টে ক্রকিটেে নজিদেরে ছাপ রাখার জন্য এই বছর বাংলাদশেরে জন্য খুবই গুরুত্বর্পূণ। টস্টে ম্যাচ বশেি খলেতে না পারা নয়িে বরাবররে যে আক্ষপে, এই বছর সটেকিে সত্য প্রমাণ করার চ্যালঞ্জে। সব ঠকি থাকলে এবার ১১টি টস্টে মাচ খলোর সুযোগ। যগেুলো ভালো করলইে কবেল আগরে আক্ষপেগুলো যুক্তি খুঁজে পাব।ে ক্রকিটে বশ্বিকে দখেয়িে দওেয়া যাব।ে আরও বশেি টস্টেরে দাবি জোড়ালো কণ্ঠে তোলা যাব।ে বছররে আগরে চার টস্টেে ছলি দুই রকমরে হতাশা। ওয়লেংিটনে নউিজল্যিান্ডরে বপিক্ষ,ে হায়দরাবাদে ভারতরে বপিক্ষে ছলি ড্রয়রে সুযোগ। পরস্থিতি,ি পারপিাশ্বর্কিতা ও বাস্তবতা ববিচেনায় ওই দুটি ড্র হতে পারত জয়রে সমান। শষে র্পযন্ত পারনেি বাংলাদশে। বাকি দুই টস্টেে বাজভোবে হার। ক্রাইস্টার্চাচে হরেছেে চারদনি,ে গলে আড়াইশরও বশেি রান।ে
অনকে সময় বাজে হাররে চয়েে আত্মবশ্বিাসে বশেি চোট লাগে জয় বা ড্রয়ে সম্ভাবনা জাগয়িওে বারবার হারল।ে সইে চোট সারয়িে তোলার ওষুধও জয়। মানসকি বাধাগুলো দূর করা। কঠনি মুর্হূতগুলো পক্ষে আনা। একবার করতে পারলইে পথটা জানা হয়ে যায়। এরপর পথরে শষে র্পযন্ত সবসময় যতেে না পারলওে পথটা চনোই থাক।ে
কলম্বোর জয় আশা করা যায় সইে পথরে সন্ধান বাংলাদশেকে দয়িছে।ে পাকস্তিান ও অস্ট্রলেয়িার বপিক্ষে প্রত্যাশতি দুটি সরিজি যদি হয়, দশেরে মাটতিে বাংলাদশে থাকবে আরও আত্মবশ্বিাসী। অক্টোবরে দক্ষণি আফ্রকিা সফরে কন্ডশিন অবশ্যই শ্রীলঙ্কার মতো হবে না। তবে বদিশেে টস্টে মানইে ভীতকির কছিু, এই অনুভূতটিা অন্তত থাকবে না। আর ডরভয় থাকবে যত কম, নজিদেরে সহজাত খলো ফুটয়িে তোলার সম্ভাবনা বাড়বে তত বশে।ি
এই সবই প্রত্যাশার কথা। ভবষ্যিত তো সবসময় প্রত্যাশার সুরে কণ্ঠ মলোয় না। তবে শততম ওয়ানডরে সইে জয়টাই আশার জাগায়, স্বপ্ন দখোয়। উপলক্ষ্য মাহাত্ম্যর্পূণ হয় তখনই, যদি সটেকিে স্মরণীয় করে রাখা যায়। শততম ওয়ানডে না জতিলে কউে হয়ত সইে ম্যাচ মনইে রাখত না। শততম টস্টেও তমেনি স্মরণীয় হয়ে থাকবে জয়রে কারণইে।
কে জান,ে হয়ত আজ থকেে অনকে বছর পরে টস্টে ক্রকিটেে বাংলাদশেকে নয়িে যখন আলোচনা হব,ে ১৫০ বা ২০০তম টস্টেরে সময় যখন পছেন ফরিে তাকানো হব,ে হয়ত শততম টস্টেরে জয়কইে মনে হবে বাংলাদশেরে বাঁক বদলরে মুর্হূত! ( লখোটি বডিনিউিজরে সৌজন্যে ছাপা হলো)।