বস্তিবাসীদের কথা শুনলেন স্মিথ-খাজারা

আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০১৭, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


ঢাকায় প্রথম টেস্টের আগে বৃস্পতিবার অতটা ব্যস্ততা ছিল না স্টিভেন স্মিথ-ওসমান খাজাদের। ফাঁকা সেই সময়টাতেই ঢাকার জীবনযুদ্ধে লড়াই করতে থাকা মানুষদের কাছ থেকে দেখতে গিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়া দলের ৭ সদস্য। বেসরকারি সাহায্য সংস্থা অক্সফামের সহায়তায় মহাখালীর সাততলা বস্তি ও অক্সফামের মূল সদর দফতরে গিয়েছিল স্টিভেন স্মিথের দল। তাদের কাছ থেকেই শুনেছেন দ্রুত বেড়ে উঠা যান্ত্রিক শহর ঢাকা কীভাবে প্রভাব ফেলেছে তাদের জীবনে!
শুধু গৃহকর্মীদের জীবন নিয়েই নয়, সমাজে চলমান শারীরিক নির্যাতন, বাল্যবিবাহ ও গৃহকর্মীদের ওপর চলমান নির্যাতন সম্পর্কে কাছ থেকে জানার সুযোগ হয়েছে অসিদের। আর এমন ঘটনা কাছ থেকে শোনার পর এভাবেই প্রতিক্রিয়া জানান দলটির সদস্য ওসমান খাজা, ‘এখানে আপনি এমন ঘটনা হয়তো প্রত্যাশা করবেন। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি নিজে না শুনবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত এর ভিতরে থাকা সারমর্ম হয়ত বুঝতে পারবেন না।’
খাজার কথার সত্যতা আছেই। প্রতিনিয়তই এখানে নারী নির্যাতন, গৃহকর্মী নির্যাতনের খবর মেলে। আর তাদের নিয়েই কাজ করছে অক্সফাম। সেই অক্সফামেই বেশ কিছু নারী কর্মীর সঙ্গে কথা হয় স্মিথ-খাজাদের। তাদের জীবন প্রবাহে ঘটে যাওয়া নানা চরাই-উতরাইয়ের কথাগুলো ধৈর্যসহ শোনেন স্মিথ-খাজারা। করুণ সেই কথাগুলো শুনে সমব্যথী হয়েছেন অসিরাও, ‘ওদের মধ্যে থেকে এক মেয়ে কথা বলছিল- নিজের জীবনে মুখোমুখি হওয়া কঠিন সময় নিয়ে কথা বলছিল। ও কিন্তু পুরোপুরি কথা শেষ করতে পারেনি… এটা ছিল আসলেই নাটকীয়।’ সেখানে অবস্থান করা ভক্তদের সঙ্গে সেলফি ও ফটো সেশনে অংশ নেন স্মিথরা। নিজেদের জীবনের কঠিন সময় নিয়ে কথা বলা ছাড়াও ক্রিকেট নিয়ে কথা বলেন এখানে কাজ করা সদস্যরা। আর ক্রিকেটের প্রসঙ্গ উঠে আসার পর পরই তাদের সঙ্গে খোশগল্পে মেতে উঠেন স্টিভেন স্মিথ ও ওসমান খাজা। আর এই ক্রিকেটকেই ওই সময়ের সবচেয়ে আলোচিত অংশ বলে চিহ্নিত করেন খাজা। এসময় তারা সেখানে অবস্থান করা ভক্তদের সঙ্গে সেলফি ও ফটো সেশনেও অংশ নেন। -ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।