বাংলাদেশের উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকার

আপডেট: জুন ২২, ২০১৭, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ

মো. আবদুল কুদ্দুস


২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়মী লীগ (২৩ জুন, ১৯৪৯)-এর ৬৯ তম জন্মদিন। বাংলাদেশের যত উন্নয়ন হয়েছে তার অধিকাংশই এই দলটির হাতে। এবারের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সামনে রেখে দলটির একটি উন্নয়নচিত্র জাতির কাছে তুলে ধরছি।
যে দেশকে একসময় পশ্চিমা বিশ্ব ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল, সেই দেশটিই আজ বিশ্বের বিস্ময়। সেই দেশটি আজ উন্নয়নের রোল মডেল। উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে দুর্বার গতিতে। এক যাদুমন্ত্রে যেন বদলে গেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের এই ঈর্ষণীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতি তৃতীয় বিশ্বের সামনে একটি উদাহরণ হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। বাংলাদেশকে এখন সবাই শ্রদ্ধার চোখে দেখে। বিশ্বজুড়েই আজকে প্রশ্ন কীভাবে বাংলাদেশ এই অসাধ্যকে সম্ভব করলো। এক কথায় বলতে গেলে এর উত্তর‘শেখ হাসিনা’।
উন্নয়নের সংক্ষিপ্ত তুলনামূলক চিত্র
অর্থনীতি
খাত    ২০০৬    ২০০৯    ২০১৬
প্রবৃদ্ধির হার    ৬.৬৩    ৫.৭৪    ৭.০৫
মাথাপিছু আয়    ৫৬০ ডরার    ৭১০ ডলার    ১,৪৬৬ ডলার
বৈদেশিক বিনিয়োগ    ৪৫.৬ কোটি ডলার    ৯৬.১ কোটি ডলার    ২২৩ কোটি ডলার
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ    ৩৪ কোটি ডলার    ১০০ কোটি ডলার    ৩১২ কোটি ডলার
রপ্তানি আয়    ১০৫.২ কোটি ডলার    ১২৬ কোটি ডলার    ৩৪০ কোটি ডলার
মুদ্রাস্ফিতির হার    ৭.২%    ৫.৪%    ৫.৮৪%
রেমিটেন্স আয়    ৪৮ কোটি ডলার    ৯৭ কোটি ডলার    ১৪৯.৩ কোটি ডলার

আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন
খাত    ২০০৬    ২০০৯    ২০১৬
দারিদ্রের হার    ৩৮.৪%    –    ২২.৪%
অতি দারিদ্রের হার    ২৪.২%    ১৯.৩    ১২১%
গড় আয়ু (বছর)    ৬৪.৫%    ৬৬.৮    ৭১.৮%
বিদ্যুৎ জ্বালানি
খাত    ২০০৬    ২০০৯    ২০১৬
বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা (মেগাওয়াট)    ৩,৩৩৮    ৪,৯৪২    ১৪,৯৮০
দৈনিক সর্বোচ্চ উৎপাদন(মেগাওয়াট)    ৪,০৩৬(২০০৭)    ৪২৯৬    ৮,৩৫৮
মোট বিদ্যুৎকেন্দ্র    ৪২    ২৭    ১০৭
বিদ্যুতের আওয়াতাধীন জনগোষ্ঠি    ৩৮%    ৪৭%    ৭৮%
সিস্টেম লস    ১৬.২৬%    ১৩.৪৯%    ১০.৪৯%
প্রি-পেইড মিটার    ছিল না    ছিল না    ৯৭৮৯৩
মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন(কিলোওয়াট/ঘন্টা)    ১৭৬    ২২০    ৩৭১

কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা
খাত    ২০০৬    ২০০৯    ২০১৬
খাদ্য উৎপাদন(লক্ষ মেট্রিক টন)    ২৭২.৭    ৩৪৭.০৭    ৩৯০.০
কৃষি ঋণ বিতরণ(কোটি টাকা)    ৫৪৯৬.২১    ৯২৮৪.৪৬    ১৫৯৭৮.৪৬(২০১৫)
কৃষি ভর্তুকি প্রদান    –    ৫৭৮৫ কোটি টাকা    ৭,১০১.০৫ কোটি টাকা
কৃষি পুনর্বাসন/প্রণোদনা কর্মসূচি    –    ২০.৭৮ কোটি টাকা    ৩২.৪৯ কোটি টাকা
    ভেজালমুক্ত ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩’ গত ফেব্রুয়ারি ২০১৫ থেকে কার্যকর করা হয়েছে এবং ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ থেকে ‘বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
    কৃষিভিত্তিক তথ্য সহজলভ্য করার লক্ষ্যে সারাদেশে ২৪৫টি কৃষিতথ্যকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
    কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য কৃষক পরিবারকে ২ কোটি ৫ লাখ ৮২ হগাজার ৮২৪টি কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে কৃষাণিদেরকে ১২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৪৭টি এবং কৃষকদের ১ কোটি ৯৩ লাখ ২৪ হাজার ১৭৭টি কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড প্রদান করা হয়।
    সেপ্টেম্বর ২০১৬ থেকে চালু হওয়া খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় বছরে পাঁচ মাস (মার্চ-এপ্রিল-নভেম্বর) প্রতি কেজি ১০ টাকা দরে ৫০ লাখ পরিবারকে মাসিক ৩০ কেজি চাল বিতরণ করা হবে।
    ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে সাত বছর স্বল্পমূল্যে খোলাবাজারে (ওএমএস) খাতে ১৭ লাখ ৭৯ হাজার ৫০২ মেট্রিকটন চাল ও ১০ লাখ ৭০ হাজার ৫৫৪ মেট্রিকটন গম। অর্থাৎ সর্বমোট ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৫৬ মেট্রিকটন খাদ্যশস্য বিক্রয় করা হয়েছে।
    কৃষকদের ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা
খাত    ২০০৬    ২০০৯    ২০১৬
জাতীয় মহাসড়ক    ৩৫৭০    ৩৪৭৭    ৩৮১৩
ব্রিজ/কালভার্ট (মিটার)    ৯৬৪৯১৯    ১০,২৮,৩১৯    ১২৯১,৭০৩
নদী খনন (মিলিয়ন কিউবিক মিটার)    ৬.৪৯    –    ১৫.৬২
উল্লেখ্য ১৯৭২-২০০৮ সাল পর্যন্ত মাত্র ৭৩.৮ কিমি জাতীয় মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করা হয়েছে। আর বিগত সাত বছরে ৩৬৮.৬২ কিমি. জাতীয় মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা হয়েছে।
মেগা প্রজেক্টের অগ্রগতি
পদ্মা সেতু নির্মাণ: ইতোমধ্যে ৩৮ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
কর্ণফুলী আন্ডারওয়াটার টানেল: ভূমি অধিগ্রহণ ও নকশার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ডিসেম্বরর ২০১৬ তে পর্ণাঙ্গ কাজ শুরু হবে।
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: ২০১৫ সালের আগস্ট মাসে রাজধানীর বিমান বন্দর এলাকা থেকে কতুবখালি পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। ২০১৯ সালের মাধ্যেই নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে।
মেট্রোরেল প্রকল্প: জুন ২০১৬-তে উদ্বোধনের পর থেকে মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ দ্রতুগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। মেট্রোরেল লাইন-৬ ২০১৯ সালে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
পায়রা সমুদ্রবন্দর: আগস্ট ২০১৬ থেকে সীমিত আকারে দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দরে মালামাল ওঠানামা কাজ শুরু করেছে।
শিক্ষা
সূচক    ২০০১-২০০৬    ২০০৯-২০১৬
সাক্ষরতার হার    ৪৪%    ৭১%
ভর্তির হার    ৮৭.২%    ৯৯%
ঝরে পড়ার হার    ৪৭%    ২০.৪%
প্রাথমিক স্কুল জাতীয়করণ    হয়নি    ২৬,১৩৯
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ    ৬৩,৩২৬    ১,০৮,২০০
উপবৃত্তি    ৪৬,৪১,০০০    ১,৩০,০০,০০০
বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ    পঞ্চমশ্রেণি পর্যন্ত ৬.৫৪ কোটি(২০০৬)    প্রথম-নবম শ্রেণী পর্যন্ত ১৯৩ কোটি (৩৩ কোটি ৩৭ লাখ ২০১৬ সালে)
রিচিং আউট অব স্বুল প্রোগ্রাম    ২,৪৬,৫১১ জন    ৩,১০,৯৮৭ জন
শিক্ষাখাতে বাজেট বরাদ্দ    ৪ হাজার ৮৫৯ কোটি টাকা(২০১৬)    ৪৯ হাজার ১৯ কোটি টাকা(২০১৬)
মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও ডিজিটাল ল্যাব    ছিল না    ৩৫,৫০০
স্কুল নির্মাণ ও মেরামত    ২৮,২২১    ১,৪৭,১৭০
    ১ হাজার কোটি টাকার সিডমানি দিয়ে গঠিত ‘প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট’-এর আওতায় ২০১০ হতে প্রাথমিক থেকে ডিগ্রী পর্যন্ত অধ্যয়নরত দরিদ্র ও মেধাবি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। ৪৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘মৌলিক সাক্ষরতা’ প্রকল্প ৬৪ জেলা নামে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
    বিদ্যালয় যাওয়ার সুযোগ না পাওয়া ৮-১৪ বছরে শিশুদের জন্য নির্মাণকৃত ‘আনন্দ স্কুল’-এ বিনামূল্যে বই দেয়ার পাশাপাশি বিনামূল্যে পোশাক ও উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।
    প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্যে ৬১টি বিশেষ বিদ্যালয় স্থ্াপনের কাজ চলছে। এছাড়াও আদিবাসী শিশুদের জন্যে ৫টি ভাষায় পাঠ্যপুস্ত প্রস্তুতের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, যা ২০১৭ থেকে বাস্তবায়িত হবে।
স্বাস্থ্য
সূচক    ২০০০    ২০১০    ২০১৫
মাতৃমৃত্যুর হার (প্রতি হাজার জীবিত জন্মে)    ৩৯৯    ১৯৪    ১৭৬(২০১৫)
শিশুমৃত্যু হার (অনুর্ধ্ব ৫ বছর, প্রতি ১০০০)    ৮৮    ৪৭    ৩৮
টিকাদান    –    ৮২.৯%(২০১১)    ৯২%
নবজাতক মৃত্যুর হার    ৬৪.৪    ৬    ২৯
খর্বাকার শিশু জন্মের হার (প্রতি ১০০ জনে)    ৫০.৮    ৪১(২০১১)    ৩৬
বিশুদ্ধ পানির সুবিধা    –    ৮৫    ৯৮.২
স্যানিটেশন সুবিধা    –    ৫৪%    ৯৯ঁ

    প্রধানমন্ত্রীর তনয়া সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের ঐকান্তিক আগ্রহ এবং নিরলস প্রচেষ্টায় অটিজমের মতো মানবিক স্বাস্থ্য সমস্যাটি বিশ্বসমাজের দৃষ্টিতে আনা হয়েছে। অটিজম সম্পর্কে সরকারের কনো পরিকল্পনা ছিলোনা। অটিস্টিক শিশুদের সুরক্ষায় ২২টি সরকারি ও বে-সরকারি হাসপাতালে শিশু বিকাশ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
    স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সারাদেশে ১৬ হাজার ৪৩৮টি কমিউনিটি ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এসব কমিউনিটি ক্লিনিকে ৩০ প্রকার ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়।
ই-হেলথ
    জাতীয় আধুনিক কল স্টোর ‘ স্বাস্থ্য বাতায়ন’ চালু করা হয়েছে। এই কল সেন্টারে ১৬২৬৩ নম্বর ফোনে কল করে যে কেউই দিন রাত ২৪ ঘন্টা তাৎক্ষণিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে, অ্যাম্বুলেন্স ডাকতে, স্বাস্থ্যসেবার ব্যাপারে অভিযোগ জানাতে এবং যেকোন ধরণের স্বাস্থ্য তথ্য জানতে পারেন।
    জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ২৪ ঘন্টা বিনামূল্যে মোবাইল ফোনে স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও তার সুযোগ্য উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের দিক নির্দেশনায় দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজ। এক নজরে বিগত সাত বছরে বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তি খাতের অগ্রগতির চিত্র-
সূচক    ২০০৬    ২০১৬
ইন্টারনেট গ্রাহক    ১৫ লাখ    ৬.৩৯ কোটি(জুলাই,২০১৬)
তথ্যপ্রযুক্তির রপ্তানি আয়    ২৬ মিলিয়ন ডলার    ৩০০ মিলিয়ন ডলার
ডিজিটাল মাধ্যমে সরকারী সেবা গ্রহণের হার    ০.৩%    ৩৫%
মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যা    ২ কোটি    ১৩.১৩ কোটি (জুলাই,২০১৬)
ডিজিটাল সেন্টার    ছিল না    ৫ হাজার ডিজিটাল সেন্টারে ২০০ প্রকার সেবা
মাল্টিমিডিয়া ক্লাশরুম    ছিল না    ৩০ হাজার
অনলাইন পাঠ্যবই(ই-বুক)    ছিল না    প্রথম-নবম শ্রেণির সকল বই

    ৮ হাজার পোস্ট অফিসকেও ডিজিটাল সেন্টার বানানোর প্রক্রিয়া চলমান।
    শিক্ষাকে প্রযুক্তি নির্ভর করতে পর্যায়ক্রমে দেশের ১ লাখ ৭০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠিানে মাল্টিমিডিয়া ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হবে।
    ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু-১’ কে মহাকাশে উৎক্ষেপণের কাজ।
    ৩এ মোবাইল প্রযুক্তি ইতোমধ্যেই দেশব্যাপি ছড়িয়ে পড়েছে। ৪এ মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু কার কাজ হাতে নিয়েছে সরকার।
নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন
খাত    ২০০৬    ২০০৯    ২০১৬
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্সে অবস্থান    ৯১    ৯৩    ৬৪
মাতৃত্বকালীন ছুটি    ৪ মাস    ৪ মাস    ৬ মাস
শ্রমশক্তিতে নারীদের অংশগ্রহণের হার    ৩৮.৮%    –    ৪১%
সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য    ৪৫    –    ৫০
নারী বেকারত্বের হার    ৬.৫%    –    ৫%(২০১৫)
    জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ ঘোষণা।
    পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০ পাস। নারী ও শিশুপাচার রোধে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ কার্যকর।
    মাতৃসূত্রে নাগরিক হওয়ার বিধানসহ নাগরিক আইন সংশোধন।
    হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের নারী বিচারপতি নিয়োগ। সচিব. জেলা প্রশাসক, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পদে নারীদের পদায়ন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য একজন নারী। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে নারী সদস্য নিয়োগ। তথ্য কমিশনে নারী দস্য নিয়োগ।
তথ্য আপা: জুলাই ২০১১ থেকে ডিসেম্বর ২০১৫ সাল পর্যন্ত ১৬ টি উপজেলায় ১,৩১২.৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে গ্রামীণ ও উপ-শহরাঞ্চলের নারীদের স্বাস্থ্যগত সমস্যা, বাল্যবিয়ে, ফতোয়া, নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা, চাকরি সংক্রান্ত তথ্য, আইনগত সমস্যা এবং ডিজিটাল সেবাসমূহের নানা দিক সম্পর্কে ২ লাখ ৬৩ হজার ৩২৯ নারীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
শ্রম ও কর্মসংস্থান
    কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তরকে জনবল ৩১৪ থেকে ৯৯৩ জনে উন্নীত করে অধিদপ্তরে রূপান্তর করা হয়েছে।
    জাতীয় শ্রমনীতি-২০১২. শিশুশ্রম নিরসন নীতি-২০১০, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন নীতি-২০১১, গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি-২০১৫ প্রণয়ন।
(চলবে)