বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়ার সেরা দলই আসবে তো?

আপডেট: জুন ২৯, ২০১৭, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


২০০৬ সালে সেরা দলই এসেছিল টেস্ট খেলতে। রিকি পন্টিং ছিলেন অধিনায়ক। হেইডেন, হাসি, গিলক্রিস্ট, ব্রেট লি, ওয়ার্ন, গিলেস্পিরাও ছিলেন। তারকায় ঠাসা দল। ১১ বছর পরের এই অস্ট্রেলিয়া দলেও তারকার কমতি নেই। কিন্তু পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে বাংলাদেশ সফরে আসতে পারবে তো তারা? দেখা দিয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা।
খুব কঠিন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে যাচ্ছে অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে। কেন্দ্রীয় চুক্তি নিয়ে শীর্ষ ক্রিকেটারদের সঙ্গে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার যে দ্বন্দ্ব চলছে, সেটি মিটে না গেলে প্রায় ২০০ ক্রিকেটারের বেকার হয়ে পড়ার শঙ্কা আছে। এই সংকটের সমাধান না হলে অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ সফর নিয়ে দেখা দেবে অনিশ্চয়তা। সেরা ক্রিকেটারদের অস্ট্রেলিয়া পাঠাতে পারবে কি না, তা–ও নিশ্চিত নয়।
ক্রিকেটাররা বেশ কিছুদিন ধরেই বেতন বৃদ্ধি ও বোর্ডের রাজস্বের একটা অংশ দাবি করে আসছেন। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) অবশ্য খেলোয়াড়দের এই দাবির ব্যাপারে শুরু থেকেই নেতিবাচক মনোভাব দেখিয়ে আসছে। অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটারদের সংগঠন (এসিএ) শুরু থেকে শক্ত অবস্থানে থেকে দর-কষাকষি করে এলেও তা পাত্তা দেয়নি সিএ। এরই মধ্যে সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে দ্রুত। ৩০ জুন শেষ হবে চুক্তির মেয়াদ। এখন যা অবস্থা, তাতে ১ জুলাই নতুন চুক্তির অধীনে অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটারদের আসার সম্ভাবনা নেই।
কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে তাই সব ক্রিকেটার বাদ পড়বেন। আর তা হলে অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ২০০ ক্রিকেটার বেকার হয়ে পড়বেন বলে মন্তব্য করেছেন এসিএর সভাপতি গ্রেগ ডায়ার, ‘১ জুলাই থেকে খেলোয়াড়দের বেকার হয়ে পড়ার শঙ্কা খুব বেশি। বোর্ডের সঙ্গে খেলোয়াড়দের সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। তবে আমরা বোর্ডকে সব ধরনের সহায়তার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’ বোর্ড-খেলোয়াড় দ্বন্দ্বের মধ্যেই গত শুক্রবার সিএ নতুন প্রস্তাব দিয়েছিল। সেটিও খেলোয়াড়েরা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স লিখেছে, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটের এই অস্থিরতার কারণে আগামী আগস্টে বাংলাদেশ সফরের দল নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বোর্ডের সঙ্গে সমঝোতা না হলে এই সফরে স্মিথ-ওয়ার্নাররা আসবেন কি না, সেটা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। অনিশ্চয়তা শুরু হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার অন্য সিরিজগুলো নিয়েও। কয়েক দিন পরই অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দল দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাচ্ছে। ওয়ানডে সিরিজ আছে ভারতে। এ বছরের শেষে আছে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজও।
অবশ্য আশার কথা, আগস্টে বাংলাদেশ সফরের আগে এখনো বেশ সময় পাবে দুই পক্ষ। বোর্ডের সঙ্গে ঝামেলার কারণে শীর্ষ দলের বদলে আনকোরা একাদশের বিপক্ষে টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা আগেও হয়েছে বাংলাদেশের। সেটি হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে।-প্রথম আলো অনলাইন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ