‘বাউন্সি উইকেট নিয়ে ভাবনার কিছু নেই’

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শেষ হয়েছে। দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে টাইগাররা জয় তুলে নেওয়ায় পরেরটিতে হারলেও ড্র হয়েছে সিরিজ। তবে স্মরণীয় সিরিজের কথা দ্রুতই মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হচ্ছে টাইগারদের। দুয়ারেই যে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর। যেখানে বিরুদ্ধ কন্ডিশন। তবে কন্ডিশন নিয়ে অতকিছু ভাবতে চাইছেন না জাতীয় দলের পেসার কামরুল ইসলাম রাব্বি। তার কণ্ঠে বরং আত্মবিশ্বাস। ঘরের মাঠের মতো প্রতিপক্ষের সঙ্গে সমানভাবে লড়াইয়ে প্রতিজ্ঞা।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দলে ছিলেন না ২৫ বছর বয়সী রাব্বি। থাকবেন কি করে? প্রথম টেস্টে দুজন পেসার খেললেও চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশ খেলেছে মাত্র একজন পেসার নিয়ে। স্পিনিং উইকেটের কথা মাথায় রেখে ১৪ সদস্যের স্কোয়াডও ছিল তেমনই। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে স্কোয়াডে থাকবে পোসারদের আধিক্য। তাতে কামরুল ইমলাম রাব্বির এক সিরিজ পরই দলে ফেররা সম্ভাবনা প্রবল।
শনিবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাব্বিকে তাই কথা বলতে হলো দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে নিজের ভাবনা নিয়ে। ‘এ’ দলের হয়ে দুইবার আফ্রিকা সফর করা রাব্বি বলেন, ‘ওখানের উইকেটে একটু বাউন্স থাকবে। একটু বেশি গতি থাকবে। অন্যকিছু প্রায় একই। যে বল ঘুরাতে পারে, সে সব জায়গায় পারবে। যে ব্যাট করতে পারে, সব জায়গায় পারবে। বাউন্সি উইকেট নিয়ে ভাবনার কিছু নেই।’
বাউন্সি উইকেট বলে বাংলাদেশ বোলিং লাইনে সেভাবেই পরিকল্পনা সাজাবে। ব্যাটিং নিয়েও কি ভাবতে হবে না? এ ধরনের কন্ডিশনে ব্যাটসম্যানদেরও চরম পরীক্ষাই দিতে হয়। তবে রাব্বির বিশ্বাস বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের লড়াইয়ের সামর্থ আছে যথেষ্টই, ‘আমরা এখন বিশ্বের যেকোনো টিমের সঙ্গে লড়তে পারি। ওদের উইকেটটা একটু আলাদা। আমাদের এখানে অত বেশি বাউন্স থাকে না। বাউন্সি উইকেটে সাকিব ভাই কিন্তু ২০০ করেছেন (নিউজিল্যান্ড সফরে)। মুশফিক ভাইয়েরও ভালো করার অভিজ্ঞতা আছে।’ বোলিংয়েও ভালো করার বিশ্বাসটা আছে রাব্বির, ‘আমাদের কাছে বাউন্সি উইকেটও কিছু না। ওদের বোলাররা যদি ভালো করতে পারে আমরাও পারবো।’
রাব্বি বাংলাদেশের সর্বশেষ বিদেশ সফর শ্রীলঙ্কাতে স্কোয়াডে ছিলেন। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দলে না থাকলেও প্রস্তুতিতে একদমই ঘাটতি হয়নি বলে জানালেন, ‘সফরের জন্য আমাদের শতভাগ প্রস্তুতি আছে। বাকিটা সুযোগ পাওয়ার পর বলতে পারবো। আমাদের ওভাবেই প্রস্তুত করা হয়েছে। যেন বিদেশের মাটিতে যেয়ে ভালো করতে পারি। যারা দলের বাইরে ছিল (অস্ট্রেলিয়া সিরিজে), তারা যেন অনুশীলনের ভেতর থাকে সে ব্যবস্থা করা ছিল। অনুশীলনে যেন কোনও গাফিলতি না হয়, সেভাবে আমরা কাজ করেছি।’
সুযোগ পেলে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ভালো খেলার প্রত্যয়ের কথাও জানালেন রাব্বি, ‘সাউথ আফ্রিকার মতো দেশে পেসাররা ভালো করে। আমাদের এখানে স্পিনাররা তাদের দায়িত্ব পালন করেছে বলেই আমরা জিততে পেরেছি। আর দেশের বাইরে গেলে আমাদের ওপর অনেক বেশি চ্যালেঞ্জ থাকে। যে পেসাররা ওখানে খেলবে তাদের ব্যাপারটা মাথায় নিয়ে নিতে হবে। স্পিনাররা দেশের মাটিতে ভালো করেছে, পেসারদেরও বিদেশে ভালো করতে হবে।’