বাগাতিপাড়ায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের মরদেহ উদ্ধারের তিন দিনও নেই কোন অগ্রগতি

আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০১৭, ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ

নাটোর অফিস


নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন থেকে কমান্ডার রশিদুন্নবী বেফিনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তিন দিন পার হলেও হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা এখনো নিশ্চিত হতে পারে নি পুলিশ। এদিকে, নিহতের মোবাইল ও সুইসাইড নোটে ব্যবহৃত কলম ও নাম সম্বলিত সিল উদ্ধার হয় নি এখনো।
বেফিনের মরদেহ উদ্ধারের পর থেকে সার্বক্ষণিক পুলিশি তৎপরতা চোখে পড়লেও ঘটনার তিন দিন পরও মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটন করতে পারে নি পুলিশ।
দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা এসআই ওসমান গণি জানান, ঘটনাস্থল থেকে জব্দকৃত বিভিন্ন আলামতের সূত্র ধরে তদন্ত কাজ অব্যাহত রয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বাগাতিপাড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম জানান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রশীদুন্নবী বেফিনের মৃত্যুর ঘটনা আত্মহত্যা নাকি হত্যা এ বিষয়ে শনিবার পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায় নি। তবে পুলিশ তদন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোট যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। এদিকে, সুইসাইড নোট লেখা কলম ও সিলের সন্ধানও পায় নি পুলিশ।
গত বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মুক্তিযোদ্ধা কমপে¬ক্স ভবন থেকে মরদেহ উদ্ধারের সময় সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নাটোর আধুনিক হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে ওই দিন বিকেলে শাইলকোনায় কমান্ডারের নিজ বাড়িতে মরদেহ নেয়া হয়। বিকেল ৬টা ২৫ মিনিটে পুলিশের বিশেষ টিম গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরে রাত ৯টার দিকে শাইলকোনা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয় তাকে। এ ঘটনায় ওইদিনই বাগাতিপাড়া থানায় একটি ইউডি মামলা করেন নিহতের স্ত্রী সুফিয়া বেগম।