বাগাতিপাড়ায় স্কুল ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ, কনের বাবার অর্থদণ্ড

আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২০, ১:০৮ পূর্বাহ্ণ

বাগাতিপাড়া প্রতিনিধি


নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষ পেয়েছে নবম শ্রেণির ছাত্রী জেসমিন খাতুন। জন্মনিবন্ধন জালিয়াতির মাধ্যমে বয়স বাড়িয়ে বিয়ে দেয়ার চেষ্টায় কনের বাবাকে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল শুক্রবার বিকেলে উপজেলার জামনগর ঘোষপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ইউএনও কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জামনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া জেসমিন খাতুনের বিয়ে তার বাবা আবদুল খালেক একই উপজেলার গাওপাড়া গ্রামে ঠিক করেন। শুক্রবার রান্না-বান্নাসহ বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন ছিল। বরযাত্রীরাও বিয়ে বাড়ি হাজির হয়েছিল।
বাল্যবিয়ের সংবাদ পেয়ে ইউএনও প্রিয়াংকা দেবী পাল মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাবিবা খাতুনকে সঙ্গে নিয়ে জামনগরে কনের বাড়িতে হাজির হন। সেখানে জন্মনিবন্ধণ জালিয়াতি করে বয়স বাড়ানোর বিষয়টি ধরা পড়লে জেসমিন খাতুনের বিয়ে বন্ধ করে দেন ইউএনও। সেসময় কনের বাবা আব্দুল খালেককে আটক করেন এবং সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ইউএনও প্রিয়াংকা দেবী পাল আবদুল খালেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ১৫ দিনের কারাদণ্ডাদেশ দেন। পরে ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হলে দন্ডিত আবদুল খালেককে ছেড়ে দেওয়া হয়। ইউএনও প্রিয়াংকা দেবী পাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ