বাঘায় আ’লীগের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলার ৩ নম্বর আসামি ভাইস চেয়ারম্যান মোকাদ্দেসের শপথ গ্রহণ

আপডেট: জুন ২৫, ২০২৪, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ


বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি:


রাজশাহীর বাঘায় আ.লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় দ্রুত আইনে মামলার ৩ নম্বর আসামী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল মোকাদ্দেসর শপথ গ্রহণ করেন। মঙ্গলবার (২৫ জুন) দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের শপথ পাঠ করান। ৫ মে চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিত বাঘা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হন আবদুল মোকাদ্দেন আলী। শপথ পাঠ অনুষ্ঠানে ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল মোকাদ্দেন আলী রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীরকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, শনিবার (২২ জুন) সকাল ১০টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের ডাকে উপজেলা পরিষদের সামনে মূল সড়কে বাঘা পৌর মেয়র আক্কাছ আলীর দুর্নীতি, স্বজন প্রীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন চলছিল। এ সময় আসামীরা অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। সেখানে কয়েকটি পিস্তলের গুলিবর্ষণ করা হয়। আতঙ্কে তারা মানববন্ধন ছেড়ে উপজেলা চত্বরের ভেতরে পালাতে গেলে আসামীরা এলোপাতাড়ি ইটপাটকেল ও পাথর ছোড়ে।

এ অবস্থায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম উপজেলা অডিটরিয়ামের সামনে পড়ে গেলে তাকে চায়নিজ কুড়াল দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথার বাঁ-পাশে আঘাত করেন আক্কাছ আলী। ২ নম্বর আসামী মেরাজুল ইসলাম তার হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আশরাফুল ইসলামের ঘাড়ে আঘাত করেন। ৩ নম্বর আসামী আবদুল মোকাদ্দেস আলী লোহার পাইব দিয়ে জাহিদ হোসেন নামের এক আওয়ামী লীগ নেতার বাম হাতের ৪ নং আঙ্গুলের হাড় ভেঙে দেয়। আসামীদের ইটপাটকেল ও পাথরের আঘাতে উপজেলা আ’লীগের কার্যালয়ের গ্লাস ও কয়েকটি চেয়ার ভেঙে ফেরায় আনুমানিক ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়। আহত আশরাফুল ইসলাম রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউতে) চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে বাঘা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহিনুর রহমান পিন্টু ২৩ জুন বাদী হয়ে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা করেন। এ মামলায় ৪৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামী করা হয়েছে। এ মামলার ৩ নম্বর আসামী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল মোকাদ্দেস আলী।