বাঘার বাজারে ঈদের আমেজ

আপডেট: জুন ১৮, ২০১৭, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ

আমানুল হক আমান, বাঘা


বাঘায় ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত ক্রেতারা-সোনার দেশ

রাজশাহীর বাঘায় ঈদ সামনে করে কাপড়ের বাজার জমে উঠেছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ পছন্দের জিনিস কেনার জন্য বস্ত হয়ে পড়েছেন। ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য ব্যবসায়ীরা পসরা সাজিয়ে বিভিন্ন ধরনের আকর্ষণীয় জিনিস দোকানের সামনে সাজিয়ে রেখেছেন। ক্রেতারা ওই সব দোকানে ভিড় জমাচ্ছে পছন্দের জিনিস কেনার জন্যে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঈদের কেনাকাটার জন্য ক্রেতারা সবচেয়ে ভিড় জমাচ্ছে কাপড়ের দোকানে। তবে ছিট কাপড়ের দোকান ও জুতা-সেন্ডেলের দোকানে ভিড় লক্ষ্য করার মতো। ইতোমধ্যে টেইলার্সে অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে। মানুষ ঈদের আনন্দ উপভোগ করার জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়েছে।
লালপুর থেকে আসা ক্রেতা আশরাফুল হক জানান, বিগত বছরের তুলনায় এ বছর জিনিসের দাম বেশি। তবে ঈদের আগে মানুষ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনছে।
তেঁথুলিয়া গ্রামের সাইফুল ইসলাম বাদশা বলেন, ঈদে সেমাই সবার প্রিয় খাবার। প্রত্যেকটি পরিবারে গেলে দেখা যায় সেমাই রান্না রয়েছে। চিনির দাম আকাশ ছোঁয়া। এক কেজি চিনি কিনতে হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৪ টাকায়।
আড়ানী স্টেশন বাজারের ক্রেতা শিক্ষক শাহিনুজ্জামান শাহিন বলেন, ঈদকে সামনে রেখে পুরুষ ক্রেতাদের পাশাপাশি নারী ক্রেতাদের ভিড় বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়–য়া মেয়েরা। তারা দুপুরের পর থেকে দোকানে পছন্দের জিনিস কেনার জন্য ভিড় জমাচ্ছেন।
আবদুলপুর থেকে আসা ক্রেতা মানিক আহম্মেদ বলেন, ঈদের কেনাকাটা করতে আগে থেকেই মানুষ ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঈদের কেনাকাটা করার জন্য বিভিন্ন বয়সের নারী পুরুষ ভিড় জমাচ্ছে। দোকানে লাইন ধরে জিনিস কিনছে।
আড়ানী এমএম উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক ও হামিদকুড়া গ্রামের কামরুল হাসান জুয়েল বলেন, বাজারের মধ্যে দিয়ে অবৈধ পরিবহন অবাঁধে চলাচল করায় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। বাজার কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে আড়ানী পৌর মেয়র মুক্তার আলী বলেন, ঈদের সময় ভিড়তো হবেই। তবে বাজারের মধ্যে যেন রিকসা-ভ্যান না ঢুকে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া বাজারের নিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ