বাঘায় একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের ঋণ খেলাপি শতাধিক সদস্য

আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০১৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ

বাঘা প্রতিনিধি
রাজশাহীর বাঘায় একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের ঋণ খেলাপি হয়েছে শতাধিক সদস্য। ঋণ খেলাপি হলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় নি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাঘা উপজেলার আড়ানী, বাজুবাঘা, গড়গড়ি, পাকুড়িয়া, মনিগ্রাম, বাউসা ইউনিয়নে ৫৪টি ওয়ার্ডে ২০০৯ সালে এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে। তারপর ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ৬০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটিতে সদস্য করা হয়েছে দরিদ্রদের। ২০১২ সালের জুন থেকে দরিদ্ররা এই প্রকল্প থেকে ঋণ নিয়ে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি পালন, মাছ চাষ, রিকসা-ভ্যান ক্রয় ও সবজি চাষ শুরু করে। কিন্ত ৬টি ইউনিয়নের দুই হাজার ৯৩৭টি সদস্যদের মধ্যে শতাধিক সদস্য ঋণের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে। একজন সদস্যকে সর্বনি¤œ ৫ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২৩ হাজার টাকা ঋণ দেয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরের ঋণ দেয়া হয়েছে ৮ কোটি ৩১ লাখ। আদায় হয়েছে ৫ কোটি ২৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা।
বাউসা ইউনিয়নের ধন্দগ্রাম উন্নয়ন সমিতির সদস্য আবু হানিফ বলেন, হাঁস-মুরগি পালনের ওপর ঋণ নিয়েছিলাম। গরীব মানুষ ঋণের টাকা দিতে না পেরে খেলাপি হয়ে গেছি। সামনের বছরে পরিশোধের ব্যবস্থা করবো বলে তিনি জানান। বাঘায় একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সমন্বয়ক মনিরুল ইসলাম বলেন, যে সদস্য টাকা দিতে ব্যর্থ হয়েছে, সেই সদস্যকে আর ঋণ দেয়া হচ্ছে না।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পের সমন্বয়কের মাধ্যমে খেলাপিদের বারবার তাগাদা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া তাদের সময় দেয়া হয়েছে। তারা সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।