বাঘায় ক্রেতার দুই লাখ টাকা নিয়ে উধাও এক ব্যবসায়ী

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৭, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ

বাঘা প্রতিনিধি



রাজশাহীর বাঘায় ক্রেতার রেখে যাওয়া দুই লাখ টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে এক ওষুধ ব্যবসায়ী। দুইদিনেও ফেরত আসে নি সেই ব্যবসায়ী আর উদ্ধারও হয় নি টাকা। উপজেলার পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার গীতা ফার্মেসিতে এই ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ওষুধ ক্রেতা নসির উদ্দিন বাদী হয়ে বাঘা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কেশোবপুর গ্রামের শাহাজ উদ্দীন মোল্লার ছেলে নসির উদ্দিন মোল্লা গত মঙ্গলবার মনিগ্রাম আশা ব্যাংক থেকে তার স্ত্রী ফেরদৌসী ও চাচী রহিমা বেগমের নামে দুই লাখ টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। এরপর ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে ওষুধ ক্রয় করার জন্য বাঘা বাসস্ট্যান্ড এলাকার গীতা ফার্মেসিতে যান। এসময় আসরের নামাজ আদায় করার জন্য ফার্মেসি মালিক অসক কুমার বাবুর কাছে দুই লাখ টাকা রেখে নামাজ আদায় করতে যান নসির। নামাজ শেষে টাকা নেয়ার জন্য এই ফার্মেসিতে এসে দেখেন দোকান খোলা কিন্তু মালিক নেই। কিছু সময় অপেক্ষা করার পর তাকে ফোন করলে, সে মিনিট পাঁচের মধ্যে আসবেন বলে জানান। বিন্তু কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষার পরও সে ফিরে আসে নি। এসময় নসির দিশেহারা হয়ে স্থানীয়দের অবগত করেন। পরে স্থানীয়রা ফোন করলে টাকার কথা স্বীকার করে অসক কুমার বাবু বলেন, টাকা আছে জরুরি কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি আসছি। দুই দিনেও ফিরেনি সেই ওসুধ ব্যবসায়ী।
টাকার মালিক নসির উদ্দিন বলেন, দুই লাখ টাকার মধ্যে এক লাখ ৫শ টাকার বান্ডিল দুইটি ও এক লাখ ১শ টাকার বান্ডিল ১০টি, মোট ১২টি বান্ডিল ছিল। পকেটে এতো টাকা নিয়ে নামাজে গিয়ে পড়ে যেতে পারে মর্মে সরল বিশ্বাসে পূর্ব পরিচিত ওষুধ ব্যবসায়ীর কাছে টাকা রেখে নামাজ আদায় করতে গিয়েছিলাম। ফিরে এসে দেখি দোকান খোলা কিন্তু মালিক নেই।
দীর্ঘ অপেক্ষোর পর বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলামকে বিষয়টি অবগত করেন তিনি। পরে রাত ৮টার দিকে নতুন দুইটি তালা কিনে ফার্মেসিতে লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। রাতেই নসির উদ্দিন বাদী হয়ে বাঘা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
এ বিষয়ে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মাহমুদ বলেন, লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তার আত্মীয়রা টাকা ফেরত দেয়ার সময় নিয়েছে। আশা করছি শীর্ঘই টাকা ফেরত পাবেন নসির।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ