বাঘায় জমি দখলের অভিযোগ করায় বাদিকে ভয়ভীতি

আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০১৯, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ

বাঘা প্রতিনিধি


রাজশাহীর বাঘায় ঘর উচ্ছেদ করে জমি দখলের অভিযোগ করায় বাদিকে ভয়ভীতির দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার উত্তর সোনাদহ গ্রামের সাজেদা বেগম বাদি হয়ে মহিদুল ইসলামসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এই অভিযোগ করার পর থেকে প্রতিপক্ষের হুমকিতে বাদি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
এ বিষয়ে সাজেদা বেগমের স্বামী আক্তার হোসনে বলেন, আমার স্ত্রীর বাবা সোলেমান হোসেনের ৭ মেয়ে ও ২ ছেলে রেখে মারা যান। শ^শুরের রেখে যাওয়া সম্পত্তির ওয়ারিশ সূত্র মোতাবেক ২১ শতাংশ জমির অংশিদার আমার স্ত্রী। বাটোয়ারা রেজিস্ট্রি না হওয়ায় মৌখিকভাবে ভোগ দখলের জন্য একটি দাগে ১৬ শতাংশ জমি দেয়া হয়। সেই জমিতে ঘর তুলে বছর খানেক ধরে ৬ সদস্যের পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু করি। কিন্তু গত ৩ অক্টোবর মহিদুল ইসলাম এ জমিতে নির্মাণকৃত টিনের ঘর ভেঙে দিয়ে দখলে নিয়ে চাষাবাদ করেন। এখন পর্যন্ত ঘরের মালামাঠ পায়নি।
সাজেদা বেগম জানান, স্বামীর অনুপস্থিতিতে জমি দখলের সময় বাধা দিতে গিয়ে আমাকে তারা মারধর করে। খবর পেয়ে আমার স্বামী আড়ানী বাজার থেকে বাড়িতে ফেরার পথে তাকেও মারধর করে মহিদুল ইসলামের লোকজন। এ ঘটনার পর আমি বাদি হয়ে মহিদুল ইসলামসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করি। অভিযোগ করার পর থেকে তারা বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। ফলে আমি নিরুপায় হয়ে পড়েছি।
মহিদুল ইসলাম ক্রয় সূত্রে জমির মালিকানা দাবি করে বলেন, মৃত ব্যক্তির পাঁচ ওয়ারিশের কাছ থেকে আমি জমি খরিদ করেছি। সাজেদার অংশ মোতাবেক জমির এক কোণে তার অংশ রাখা হয়েছে। তবে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ সত্য নয়।
বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, দখলে রাখার উদ্দেশ্য জমির এক কোণে টিনের একটি ছাপরা ঘর তুলছিল বাদি পক্ষ। জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বাদির অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশক্রমে বিবাদমান জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ