বাঘায় দোকান পুড়িয়ে দেওয়ায় ঘটনায় হয় নি কোন সমাধান

আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০১৭, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ

বাঘা প্রতিনিধি


রাজশাহীর বাঘায় দোকান পুড়িয়ে দেওয়ায় ঘটনার শালিশী বৈঠক উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনায়র কারণে  পন্ড হয়ে গেছে। এ ঘটনা গতকাল শুক্রবার সকালে উপজেলার হরিণা বাজারে ঘটেছে। বাউসা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শালিশী বৈঠক পন্ড হয়ে যাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত করেন। তবে এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময়ে এই ঘটনায় এলাকায় বড় ধরনের সহিংসতা হতে পারে বলে এলাকাবাসী ধারণা করছে।
জানা যায়, ১৬ জানুয়ারি রাতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের হরিণা বাজারের বাবলু হোসেন নামের এক ব্যক্তির চায়ের স্টলে আগুন ধরিয়ে দেয় প্রতিপক্ষ। এই আগুনে তার দোকানের সমস্ত মালামাল পুড়ে যায়। পরের দিন চা স্টলের মালিক বাবলু বাদি হয়ে হরিণা পশ্চিমপাড়ার আফাজ উদ্দীন, জয়েন উদ্দীন, মাইনুল ইসলাম ও আব্দুল খালেককে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ করেন। এ ঘটনাটি  মিমাংসা করার জন্য স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান শফিকের সভাপতিত্বে হরিণা বাজারে স্থানীয়দের নিয়ে শালিশী বৈঠক বসে। এই বৈঠকে উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। ফলে বৈঠক পন্ড হয়ে যায়। শালিশী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোকাদ্দেস, সাবেক সাধারণ সম্পাদক তসিকুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা পিন্টু আহম্মেদ, সুলতান হোসেন, মাখন হোসেন, জাহিদ হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল হোসেন, আবু শামা, আনোয়ার হোসেন, ইউনিয়নন সদস্য শফিকুল ইসলাম, রিপন হোসেন, ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস প্রমুখ।
দোকান মালিক বাবলু হোসেন বলেন, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে তার দোকান উচ্ছেদের হুমকি দিয়ে আসছিল। দোকান উঠিয়ে না নেয়ায় তারা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়া শালিশে দোকান পুড়ানোর আলোচনা না করে পূর্বের অন্য ঘটনা নিয়ে আলোচনা করায় উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এক পর্যায় উত্তেজনার সৃষ্টি হলে বৈঠক পন্ড হয়ে যায়।
বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মাহমুদ বলেন, চায়ের স্টল ও দোকান পুড়ানোর ঘটনায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। তিনি আরো বলেন, তবে স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মিমাংসা করতে চাওয়ায় কোন আসামিকে গ্রেফতার করা হয় নি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ