বাঘায় পদ্মার ভাঙনে হারিয়ে যাচ্ছে চকরাজাপুর

আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২২, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ

আমানুল হক আমান, বাঘা :


রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মার মধ্যে ভাঙনের কারণে হারিয়ে যাচ্ছে চকরাজাপুর ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নে মধ্যে ১৫টি চর রয়েছে। জনসংখ্যা রয়েছে প্রায় ২০ হাজার। পরিবার রয়েছে তিন হাজার। ইতিমধ্যেই চকরাজাপুর চর পদ্মা গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। কোন চিহৃ নেই।

পদ্মার ভাঙন থেকে রক্ষার জন্য ইতিমধ্যে চকরাজাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় সরিয়ে নেয়া হয়েছে। চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি ভাঙন থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দুরে অবস্থান করছে।

চরকালিদাসখালী, জোতকাদিরপুর, দিয়ারকাদিরপুর, লক্ষীনগরসহ ১৫টি চর ভাঙনের মুখে পড়েছে। গত এক সপ্তাহে ১৫টি বাড়ি, আম বাগান, কুল বাগান, পেয়ারা বাগান, শাকসবজি, আখ ক্ষেত, বিভিন্ন ফসলি জমিসহ শত শত বিঘা জমি পদ্মা গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে।
লক্ষীনগর চরের আবুল কালাম, আবদুর রাজ্জাক, সোহেল শেখ, ফজল শেখ, মিষ্টার শেখ, দেলোয়ার শেখ, শাহাজান মৃধা, সামাদ আলী, শহিদুল ইসলাস, কানু ফকির, বাদর আলম, বদর উদ্দিন, চাঁন খা, বিজল হোসেন বলেন, ভাঙ্গনের কারনে আমরা খুব আতংকে আছি। কয়েকবার ভাঙ্গনের কারণে বাড়িঘর সরিয়ে নিয়েছি। যে হারে ভাঙছে, মনে হচ্ছে এবারও সরে যেতে হবে।

পদ্মার চরে মধ্যে ৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এরমধ্যে চৌমাদিয়া, আতারপাড়া, চকরাজাপুর, পলাশি ফতেপুর, ফতেপুর পলাশি, লক্ষীনগর, চকরাজাপুর, পশ্চিম চরকালিদাসখালী, পূর্ব চকরাজাপুর এগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয়। চকরাজাপুর ও পলাশি ফতেপুর এই দুটি উচ্চবিদ্যালয়। পদ্মার চরে ৯টি প্রাথমিক ও দুটি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় ২ হাজার ৬০০ শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে।

চকরাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বাবলু দেওয়ান বলেন, পদ্মায় বর্তমানে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। তার সাথে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এরমধ্যে অনেকেই বাড়িঘর সরিয়ে নিয়েছেন। চকরাজাপুর ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে ছোট হয়ে যাচ্ছে।

বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা বলেন, ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ