বাঘায় মদ কারখানায় অভিযানে তিনজনের কারাদন্ড

আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০১৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ

বাঘা প্রতিনিধি



রাজশাহীর বাঘায় গাঁজা বিক্রির দায়ে তিনজনকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদ- দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদলত। এছাড়া ১০টি চোলাই মদ তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে দেড় শতাধিক মাটির কোলা ধ্বংসসহ চোলাই মদ তৈরির বিভিন্ন উপকরণ ধবংস করা হয়েছে। উপজেলার আড়ানী নুরনগর গ্রামে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা এই অভিযান চালানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আড়ানী নুরনগর গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে মদ তৈরি, বিক্রি ও সেবন চলে আসছিল। কেউ তৈরি করে, কেউ বিক্রি করে, আবার কেউ কাঁচামাল সরবরাহের সঙ্গে জড়িত। প্রতিবাদ করলেই চোলাই মদের সাথে জড়িতরা একত্রিত হয়ে মামলার হুমকিসহ ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। যার ফলে কেউ মুখ খুলতে চায়না। র‌্যাব, পুলিশের অভিযানে মদ, মদ তৈরির উপকরণ ধ্বংস, ভ্রাম্যমাণ আদলতে সাজা দেয়া হলেও বন্ধ হয় না এই ব্যবসা। জামিনে মুক্ত হয়ে আবার শুরু করে। এভাবেই চলছে প্রায় ৩০ বছর। নুরনগর গ্রামে প্রায় অর্র্ধশতাধিক চোলাই মদের কারখানা গড়ে উঠেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম, জেলা মাদকদ্রব্য ইন্সপেক্টর মোস্তফাজ্জামন, বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ আলী মাহমুদ ও বিজিবি যৌথ অভিযান চালিয়ে শতাধিত কোলা ধ্বংস করেন। এছাড়াও গাঁজা বিক্রির দায়ে উত্তর মিলিকবাঘা গ্রামের আজিজুল হক, ইতিম উদ্দিন ও আড়ানী নুরনগর গ্রামের হাসিনা বেগমকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম বলেন, বিশেষ অভিযান চালিয় দেড় শতাধিক মাটির  কোলা ও চোলাই মদ তৈরীর উপকরণ ধ্বংস করা হয়েছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। এছাড়া গাঁজা বিক্রির দায়ে তিনজনকে ৬ মাসের কারাদ- দেয়া হয়েছে।