বাঘায় ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট: আগস্ট ৪, ২০১৭, ১:২৯ পূর্বাহ্ণ

বাঘা প্রতিনিধি


রাজশাহীর বাঘায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গিয়ে দুই বন্ধু ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনার পর রাতে তাকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ছাত্রীকে বাঘা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে সন্ধ্যায় তাকে পরীক্ষার জন্য রাজশাহী  মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস  সেন্টারে (ওসিসি) প্রেরণের ব্যবস্থা করা হয়।
ভুক্তভোগী ছাত্রী বাঘা উপজেলার আড়ানী ইউনিয়নের হরিপুর উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। অপরদিকে ধর্ষণে অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের খাগড়বাড়িয়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে জাকির হোসেন (২০) ও একই গ্রামের সমজান আলীর ছেলে নাজমুল হোসেন (২২)। তবে ঘটনার পর থেকেই তারা দুইজনই পলাতক রয়েছে।
অভিযোগের বরাত দিয়ে আড়ানী ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আবুল কালাম জানান, গত বুধবার সন্ধ্যার দিকে মেয়েটি তার বাড়ি থেকে প্রতিবেশী এক ব্যক্তির বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখান থেকে বাড়িতে ফিরছিল সে। এসময় ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল বখাটে ধর্ষক জাকির হোসেন এবং নাজমুল হোসেন। তারা মেয়েটিকে একা পেয়ে রাস্তা থেকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। এরপর ধর্ষণ করে মেয়েটিকে ঝিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে রইস উদ্দিনের বাড়ির পাশে ফেলে রেখে যায়। এদিকে মেয়েটি বাড়িতে না ফেরায় তার পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজতে থাকে। শেষ রাত তিনটার দিকে ধর্ষকদের একজন মোবাইলে ফোনে কল করে ওই ছাত্রীর পরিবারের সদস্যদের জানায় সে ঝিনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে পড়ে আছে। ওই খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন দ্রুত সেখানে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। এরপর প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয় তাকে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মেয়েটিকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর  সে নিজেই বাদী হয়ে ধর্ষক দুই বখাটে জাকির ও নাজমুল নামের মামলা করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মাহমুদ বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। গতকাল সন্ধ্যায় ধর্ষিতাকে পরীক্ষার জন্য রামেক হাসপাতালের ওসিসি’তে পাঠানো হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ