বাঘায় ৫২ বছরে সেতুর প্রত্যাশা পূরণ হয়নি চরের মানুষের

আপডেট: নভেম্বর ৯, ২০২৩, ১২:৩১ অপরাহ্ণ


আমানুল হক আমান, বাঘা (রাজশাহী) :


সেতুর অভাবে বাঘায় চরের মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। পদ্মা নদীর ক্যানেলের ওপর একটি সেতু নির্মিত হলে ৮টি চরের মানুষের উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে। স্বাধীনতার ৫২ বছরেও চরের মানুষের সে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।

জানা গেছে, উপজেলার পদ্মার ক্যানেলের ওপর শিমুলতলাঘাট, পালপাড়াঘাট, চাঁদপুরঘাট, খায়েরহাট ক্লাবেরঘাট, সরেরহাটঘাট, খায়েরহাট হালিম মাস্টারসহ ৬টি ঘাট রয়েছে। এসব ঘাটের যেকোনোটিতে একটি সেতু নির্মাণ করা হলে ৮টি চরে বসবাসকারী ১৫ সহস্রাধিক মানুষ সহজেই উপজেলা সদরের সাথে যাতায়াত করতে পারবেন।

পদ্মাচরের চকরাজাপুর ইউনিয়নে ৮টি চর রয়েছে। এগুলো হলোÑ চকরাজাপুরচর, লক্ষ্মীনগরচর, দাদপুরচর, কালীদাসখালীচর, পলাশী ফতেপুরচর, উদপুরচর, ফতেপুর পলাশীচর ইত্যাদি। এই ৮টি চরের মানুষ বর্ষা মৌসুমে নৌকা আর শুকনো মৌসুমে বাঁশের সাঁকো- আবার কখনো পায়ে হেঁটে পারাপার হন। নৌকায় পার হতে গিয়ে অনেকেই পদ্মায় নিখোঁজ হয়েছেন, আবার অনেকের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া পদ্মার মধ্যে ৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থাকলেও কোনো উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ নেই। এ কারণে সেখানকার শিক্ষার্থীরা মাধ্যমিক পাশ করার পর যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে লেখাপড়াই বন্ধ করে দেয়। যারা লেখাপড়া করেন, তাদের অনেক কষ্টে উপজেলা সদরে যাতায়াত করতে হয়।

চর এলাকায় চাষ হওয়া বিভিন্ন কৃষিপণ্য স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেও বিক্রি হয়। যাতায়াত ব্যবস্থার অভাবে এসব উৎপাদিত কৃষিপণ্য খুব কম দামে সেখানেই ফড়িয়াদের কাছে বিক্রি করতে হয় চাষিদের।

এ ব্যাপারে বাঘা উপজেলা প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতায় খায়েরহাট হালিম মাস্টারের ঘাটে ৬০০ মিটার একটি সেতুর জন্য কাগজপত্র মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। এখনো অনুমোদন হয়নি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ