বাজার মন্দা : তবুও বাড়লো রডের দাম

আপডেট: জুন ১৭, ২০১৭, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


এক বছরেরও বেশি সময় ধরে মন্দাভাব বিরাজ করছে রাজশাহীর রড বাজারে। তবুও এবার টনে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে বেড়েছে রডের দাম। বিক্রেতারা বলছেন, এবারের বাজেটে বেড়েছে রডের দাম। সেই সঙ্গে অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রির দাম বাড়তি কয়েক বছর ধরেই। ফলে মন্দাভাব কাটছে না রড বাজারের।
নগরীর বিভিন্ন রডের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি ৬০ গ্রেডের রড বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। আর নন গ্রেডের রড বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪২ টাকা কেজি দরে। এক সপ্তাহ আগে কেজিতে ২ থেকে ৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছিলো সব রড। টনে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা করে বেড়েছে রডের দাম।
নগরীর স্টেডিয়াম মার্কেট এলাকার পাবনা স্টিল এর সত্ত্বাধিকারি কালিপদ সাহা জানান, বাজারে বর্তমানে ৪০ গ্রেডের রড বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৪০ থেকে ৪২ টাকায়। বিএসআরএমের ৬০ গ্রেডের রড বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। অন্য কোম্পানির একই গ্রেডের রড কেজিপ্রতি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা আরো জানান, লোহার এঙ্গেল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। লোহার পাতও বিক্রি হচ্ছে প্রায় একই দামে। তবে কিছু কোম্পানি ভিন্ন ভিন্ন দামে রড বিক্রি করছে। প্রায় ঢাকার দামেই রাজশাহীতে রড বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে রড বেচাকেনা বাড়ে। এবছর কয়েক বছরের তুলনায় ইটের দাম সর্বোচ্চ। ফলে নির্মাণে হাত দিতে সময় নিচ্ছেন নির্মাণকারীরা। ফলে থমকে গেছে রড বিক্রি। গত বছর থেকেই বাড়ছে ইটের দাম। তখন থেকেই মন্দাভাব শুরু।
রডের দাম বাড়ায় ধিরে এগুচ্ছে রাজশাহীর উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের বাণিজ্যিক ভবন দারুচিনি প্লাজা নির্মাণ করছে বিশ্বাস প্রোপার্টিজ। প্রতিষ্ঠানটির সত্ত্বাধিকারী রুহুল আমীন বিশ্বাস বলেন, রডের দাম বাড়ায় স্বাভাবিতভাবেই নির্মাণ ব্যয় বেড়ে যাবে। তবে এ কাজ তারা নিজেদের অর্থায়নেই করছেন। ফলে ক্ষতি বাড়ছে তাদেরই। অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেরও ব্যয় বাড়বে বলে জানান তিনি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ