বাধ্যতামূলক যোগ দিতে হবে সেনাবাহিনীতে! বিদ্রোহী দমনে নতুন কৌশল মায়ানমারের জুন্টা সরকারের

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৪, ১:০৩ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক :শেষ পর্যন্ত বিদ্রোহীদের অগ্রগতি রুখতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নীতি গ্রহণ করলো মায়ানমারের সামরিক জুন্টা সরকার। সে দেশের ‘সক্ষম’ নাগরিকদের সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করে জারি হল সরকারি নির্দেশিকা।

সেনাতে বাধ্যতামূলক যোগদান এড়াতে মায়ানমারের তরুণদের বড় অংশ এ বার দেশ ছেড়ে পালাতে পারেন বলে সে দেশের গণতন্ত্রপন্থীরা ধারণা করছেন। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে ইউক্রেন যুদ্ধে সেনার ঘাটতি মেটাতে রাশিয়া ‘বাধ্যতামূলক যোগদান’ নীতি ঘোষণার পরেই রুশ তরুণদের একটি অংশ পোল্যান্ড ও হ্যাঙ্গেরির মতো প্রতিবেশী দেশগুলিতে পাড়ি দিয়েছিল।

নভেম্বর ২০২৩ থেকে সে দেশের তিন বিদ্রোহী গোষ্ঠী- ‘টিএনএলএ, ‘আরাকান আর্মি’ এবং এমএনডিএএ-র নয়া জোট ‘ব্রাদারহুড অ্যালায়্যান্স’ সামরিক জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র অভিযান শুরু করে। ওই অভিযানের পোশাকি নাম ‘অপারেশন ১০২৭’। পরবর্তী সময়ে জুন্টা-বিরোধী যুদ্ধে শামিল হয় ‘চিন ন্যাশনাল আর্মি’ এবং চায়নাল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্স , ‘কাচিন লিবারেশন ডিফেন্স ফোর্স’ , পিপল’স ডিফেন্স ফোর্স।

মায়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী শক্তির স্বঘোষিত সরকার ‘ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট’, জুন্টা বিরোধী রাজনৈতিক দল ‘শান স্টেট প্রোগ্রেস পার্টি’ বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। থাইল্যান্ডে নির্বাসিত মায়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী নাগরিকদের পরিচালিত সংবাদমাধ্যম ‘ইরাবতী’ খোলাখুলি ‘ব্রাদারহুড অ্যালায়্যান্স’-এর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মদদপুষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠী ‘দ্য ইউনাইটেড ওয়া স্টেট পার্টি’ ইতোমধ্যেই কয়েকটি প্রদেশে সমান্তরাল সরকার চালানোও শুরু করেছে।
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন