বাবার খুনিকে দেখে ভেঙে পড়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০১৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ


সোনার দেশ ডেস্ক
বাবার খুনিকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র! নিজের আত্মজীবনীতে জানাল রাজীব গান্ধীর হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত নলিনী শ্রীহরণ। ২০০৮ সালে ভেলোর জেলে তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। ৮৫ মিনিটের সেই সাক্ষাতের কথা ‘রাজীব মার্ডার: হিডেন ট্রুথ অ্যান্ড প্রিয়াঙ্কা–নলিনী মিটিং’ নামের বইতে তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘প্রথমে একটাও কথা বলেননি প্রিয়াঙ্কা। দু’মিনিট আমার দিকে স্থিরদৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন। আমি চোখ তুলে দেখি ওঁর মুখ লাল হয়ে আছে। কথা বলতে গিয়ে ঠোঁট কেঁপে উঠছে। জিজ্ঞেস করলেন, কেন এ কাজ করলেন আপনি? আমার বাবা অত্যন্ত ভাল মানুষ। নরম মনের মানুষ। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মিটিয়ে নিতে পারতেন।’ নলিনী জানিয়েছেন, ‘প্রিয়াঙ্কা ওভাবে কাঁদবেন আমি ভাবতেও পারিনি। উনি কতটা কষ্ট পেয়েছেন জানি। কোনও রকমে বলেছিলাম, আমি কিছু জানি না। একটা পিঁপড়েও মারার সাহসও নেই আমার। পরিস্থিতির শিকার হয়ে জেলবন্দি রয়েছি। জোর করে আমাদের দিয়ে বয়ানে সই করিয়ে নেয়া হয়েছে।’ ১৯৯১ সালের ২১ মে লোকসভা ভোটের প্রচারে চেন্নাই থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে শ্রীপেরুমবুদুরে গিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর বাবা এবং দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। মালা পরাবার অজুহাতে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায় তিনমোঝি রাজারতœাম নামের এক নারী। মামলা আদালতে উঠলে ৫১ বছর বয়সী নলিনী, তার স্বামী সহ মোট ৭ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। মৃত্যুদ- দেয়া হয় নলিনীকে। কিন্তু রাজীব গান্ধীর স্ত্রী এবং কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর অনুরোধে, শেষপর্যন্ত ফাঁসি হয়নি। বর্তমানে স্বামীর সঙ্গে যাবজ্জীবন সাজা কাটছে সে। তাদের মেয়ে মেগারা এখন ইংল্যান্ডে থাকে।- আজকাল

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ