বিএনপি নির্বাচনে আসলে টাইমের মধ্যেই আসতে হবে: ইসি রাশেদা

আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২৩, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ


নিজস্ব প্রতিবেদক:


নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেছেন, বিএনপি একটা দল। উনি (বিএনপি) আসবেন কি আসবেন না নির্বাচন কমিশন কিভাবে বলবে। আমরা বরাবরই বলেছি আসার সুযোগ আছে। উনারা (বিএনপি) যদি ইচ্ছে প্রকাশ করেন তাহলে আমরা কমিশনাররা বসবো। আইন কানুন দেখব। কিভাবে তাদের স্পেস দেওয়া যায়, দেখব। উনারা (বিএনপি) যদি আসতে চান, তাহলে টাইমের মধ্যেই আসতে হবে। কোন ক্রমেই সিডিউল টাইমের বাইরে না। সিডিউল টাইম বলতে নির্বাচনী যে মার্জিন আছে। সেই মার্জিনের বাইরে কখনই যাওয়া যাবে না। উনাদের আসতে হলে মার্জিনের একটা নিরাপদ স্থান থেকে আসতে হবে।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) দুপুর দুইটার দিকে রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়ামে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা সাংবাদিকদের এসব তথা বলেন।

তিনি বলেন, অবাধ সুষ্ঠ, সুন্দর, নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়, ভোটাররা যাতে স্বাধীনভাবে ভোট প্রয়োগ করতে পারেন সেই ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশন করতে চায়। এই নির্বাচনটা কিভাবে করা যায় তারই একটা প্রস্তুতি সভা করলাম। যারা এই নির্বাচন কাজে সংশ্লিষ্ট রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলায় তারা সবাই এসেছেন। তারা আমাকে আশ^স্ত করেছেন, আমরা যেভাবে বিধি বিধানের মধ্যে নির্বাচন করতে চাই, ঠিক সেইভাবে প্রতিপালন করে একটা সুষ্ঠ সুন্দর নির্বাচন উপহার দেবেন। যেখানে ভোটারা আসবেন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ তেমন কিছুই না। নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ সাবইকে নিয়ে ঔক্যবদ্ধতার সাথে কাজ করা। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি সবাইকে নিয়ে কাজ করার। নির্বাচনে সেনাবাহীনি মোতায়েনের বিষয়ে তিনি বলেন, সেনাবাহিনী মোতায়েন বরাবরিই অনেক নির্বাচনে হয়ে এসেছে। চিন্তাই আমরা একটু রেখেছি। আমরা স্বার্বিক পরিস্থিতি একটু দেখব, বুঝবো। প্রয়োজন হলে নিশ্চয় হবে।

ভোটারের উপস্থিতি কেমন আশা করছেন এমন কথার উত্তরে তিনি বলেন, এটা বলা খুব কঠিন। এখন কোন পারসেন্ট অ্যাসেমেন্ট করা যাবে না। তবে আমরা ভোটারদের সচেতন করার জন্য ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা অবশ্যই করবো। প্রার্থীদের নিয়ে আমরা বসবো, তাদের বলবো আপনারা ভোটার নিয়ে আনেন। তবে ভোটার দায়িত্ব কিন্তু কমিশনের না। ভোটার আনার দায়িত্ব প্রার্থীর। উনারাই ভোটার আনার ব্যপারে দায়িত্বশীল থাকবেন। তবে আমরা যেটা করতে পারি, ভোটাররা সুষ্ঠভাবে ভোট দিতে পারে সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারি।

বিদেশী পর্যবেক্ষকের বিষয়ে তিনি বলেন, ইইউ প্রতিনিধিদের সাথে মিটিং আছে। বিদেশী পর্যবেক্ষকদের আমরা সারা পাচ্ছি। বিদেশী পর্যবেক্ষক আসে এটা যুগে যুগে হয়ে আসছে। আমরা তাদের ওয়েলকাম করি। আমরা চাই যে যত বেশি দেশি-বিদেশী পর্যবেক্ষ আসবে তত বেশি ভোটের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আসবে। আচারণ বিধি যদি কেউ ভঙ্গ করে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব। অবশ্যই নেব। নিশ্চত আপনারা দেখতে পাবেন আমরা কি ব্যবস্থা নিচ্ছি। এরই মধ্যে আমরা কিছু কিছু ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা আরো নিতে থাকব।
আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় রাজশাহীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) আনিসুর রহমান, আরএমপি’র পুলিশ কমিশনার বিপ্লব বিজয় তালুকদার, জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ, পুলিশ সুপার মো. সাইফুর রহমান, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রাজশাহী দেলোয়ার হোসেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ