বিএমডিএ’র আয়োজনে দুইদিন ব্যাপি কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৪, ৯:৫২ অপরাহ্ণ


সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:রাজশাহীতে ভূ-গর্ভস্থ সেচনালা বর্ধিতকরণের মাধ্যমে সেচ এলাকা দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ এবং পরীক্ষামূলকভাবে ড্রিপ সেচ পদ্ধতির প্রচলন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দুই দিন ব্যাপি কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) মোহনপুর জোন দপ্তরের এর আয়োজনে মোহনপুর জোন অফিস প্রশিক্ষন ভবনে দুই দিন ব্যাপি কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

বিএমডিএ নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান এর সভাপতিত্বে ভূ-গর্ভস্থ সেচনালা বর্ধিতকরনের মাধ্যমে সেচ এলাকা দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ এবং পরীক্ষামূলকভাবে ড্রিপ সেচ পদ্ধতির কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক এমপি ও বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান বেগম আখতার-জাহান।

এসময় কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএমডিএ ইআইইসিডি প্রকল্প পরিচালক ও তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শহীদুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী জিএফএম হাসানুল ইসলাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাহাত পারভেজ সহ মোহপুর উপজেলার ৫০ জন কৃষক ২ দিন ব্যাপি কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেন। কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা বর্তমান গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দূরদশী চিন্তার কারণে আজ সারা বিশ্বে সকলের কাছে বাংলাদেশ এক রোল মডেলএ পরিনত হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ এই কৃষি খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সরকার বিভিন্ন ভাবে কৃষিতে ভুরতুকি দিয়ে আসছে যেন কৃষকরা তাদের ফসল কোন সমস্যা ছাড়া ফলাতে পারে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনা দিয়েছেন যেন এক ইঞ্চি জমিও ফাঁকা রাখা যাবেনা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কাজের ধারাবাহিকতা চালিয়ে যাচ্ছে। সেজন্য কৃষকদের কথা চিন্তা করে বিএমডিএ বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প গ্রহন করেছেন। তাই আপনাদের সেচের যেন সমস্যা না হয় এই জন্য ভূ-গর্ভস্থ সেচনালা বর্ধিতকরনের মাধ্যমে সেচ এলাকা বাড়ানোর প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। আপনারা যেখানে সঠিক ভাবে সেচ দিতে পারতেনা এখন সেচ এলাকা বর্ধিকরনের মাধ্যমে সেই সমস্যা অনেকটা সমাধান করা হচ্ছে এবং আরো সমাধাণ করা হবে পর্যায়ক্রমে। কৃষক ভাই দের কাছে আমার একটায় নির্দেশনা থাকবে আপনার কেউ ফসলি জমি ফেলে রাখবেন না। তাই আপনারা যারা এখন থেকে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তারা নিজ নিজ এলাকার সকল কৃষককে সাথে নিয়ে ফসল আবাদ করবেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Exit mobile version