বিওএর নির্বাচন আজ শনিবার

আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০১৭, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


দেশের খেলাধুলার অন্যতম অভিভাবক সংস্থা বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) নির্বাচন শনিবার। সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ভোট ৮০ জন কাউন্সিলর এ নির্বাচনে ভোট দেবেন। তবে ৩৪ পদের মধ্যে নির্বাচন হচ্ছে মাত্র ৫ টিতে। সভাপতি ও মহাসচিবসহ অন্যরা নির্বাচিত হয়েছেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। ভোট গ্রহণ চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি পুনর্র্নিবাচিত হয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক এবং মহাসচিব পুনর্র্নিবাচিত হয়েছেন সৈয়দ শাহেদ রেজা। গুরুত্বপুর্ণ এ দুই পদে ভোটের প্রয়োজন না হওয়ায় বিওএর নির্বাচন এখন শুধুই আনুষ্ঠানিকতা। শাহেদ রেজাদের প্রতিপক্ষ হয়ে যে কয়জন নির্বাচনে আছেন তাদের কেউ কেউ আবার হাল ছেড়ে দিয়েছেন।
উপমহাসচিব পদে অলিম্পিক ফেডারেশন ক্যাটাগোরির দুই পদের জন্য চারজন মনোনয়নপত্র জমা দিলে কিছু আকর্ষণ ছিল। শাহেদ রেজার প্যানেলের প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সহসভাপতি সফিউল্লাহ আল মুনীর ও বাংলাদেশ শ্যুটিং স্পোর্টস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইন্তেখাবুল হামিদ অপু মনোনয়নপত্র জমা দিলেও প্রথমজন পরে তা প্রত্যাহার করে নেন।
অলিম্পক ফেডারেশন ক্যাটাগোরির দুই পদের জন্য ভোটের লড়াইয়ে আছেন-বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মিকু, বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কোহিনুর এবং বাংলাদেশ শ্যুটিং স্পোর্টস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইন্তেখাবুল হামিদ অপু।
এ নির্বাচনে মুখোমুখি দুটি পক্ষ। এক পক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বর্তমান মহাসবিচ সৈয়দ শাহেদ রেজা, অন্য পক্ষের নেতৃত্বে বিদায়ী কমিটির সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মানু। শাহেদ রেজা ও তার অনুসারীরা সব পদে প্রার্থী দিলেও মিজানুর রহমান মানু ও তার অনুসারীরা ভোটের লড়াইয়ে মাত্র ৫ জন। মানু নিজে করছেন সহসভাপতি পদে নির্বাচন। বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিক্স ফেডারেশনের সভাপতি শেখ বশির আহমেদ, বাংলাদেশ শ্যুটিং স্পোর্টস ফেডারেশনের সভাপতি নাজিম উদ্দিন চৌধুরী এবং বাফুফের সহসভাপতি বাদল রায়ের সঙ্গে ভোটের লড়াইয়ে আছেন তিনি।
ট্রেজারার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আরচারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল এবং বাংলাদেশ সাইক্লিং ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ খান বাবুল। এ দুই জনই ছিলেন বিদায়ী কমিটিতে। চপল ছিলেন ট্রেজারার, বাবুল উপ-মহাসচিব।
২৩ টি সদস্য পদের জন্য প্রার্থী ২৫ জন। দুইজন প্রার্থী বেশি অলিম্পিক ফেডারেশন ও আঞ্চলিক অলিম্পিক ক্যাটাগোরিতে। অলিম্পিক ফেডারেশন ক্যাটাগরির ১৪ পদের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১৫ জন এবং আঞ্চলিক অলিম্পিক ক্যাটাগোরির ৩ পদের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪ জন। অন্য ৬ ক্যাটাগোরির সদস্য প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
অলিম্পিক ফেডারেশন ক্যাটাগোরির ১৪টি পদের বিপরীতে যে ১৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারা হলেন-নুরুল ফজল বুলবুল, আবদুস সাদেক, অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব মন্টু, আমির হোসেন বাহার, এম এ কুদ্দুস খান, লে.কমান্ডার একে সরকার (অব.), শওকত আলী খান জাহাঙ্গীর, আহমেদুর রহমান, একেএম সেলিম, হাজী মো. খোরশেদ আলম, এম বি সাইফ, খন্দকার হাসান মুনীর, মাহমুদুল ইসলাম রানা, তাবিউর রহমান পালোয়ান ও মোহাম্মদ আলী দ্বীন।
আঞ্চলিক অলিম্পিক ক্যাটাগোরির ৩টি সদস্যপদের বিপরীতে ভোটের লড়াইয়ে আছেন-খুলনা বিভাগের এস এম মোর্ত্তজা রশিদী দারা, চট্টগ্রাম বিভাগের সিরাজুদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর, রাজশাহী বিভাগের মাহমুদ জামাল ও ঢাকা বিভাগের দেওয়ান শফিউল আরেফীন টুটুল।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ