বিচারপতি ফজলুল হকের দুর্নীতি মামলা চলবে

আপডেট: মার্চ ১৬, ২০১৭, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


তথ্য গোপন ও জ্ঞাতআয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা বাতিল চেয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও আপিল বিভাগের প্রাক্তন বিচারপতি ফজলুল হকের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাই কোর্ট।
বিচারপতি মো. শওকত হোসাইন ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের হাই কোর্ট বেঞ্চ বুধবার এই রায় দেয়।
আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। ফজলুল হকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী হেলাল উদ্দিন মোল্লা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ সরোয়ার কাজল।
পরে খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, বিচারপতি ফজলুল হকের বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতে এ মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছিল গত বছরের ১৪ নভেম্বর। মামলাটি বাতিল চেয়ে তিনি যে আবেদন করেছিলেন, শুনানি শেষে হাই কোর্ট তা খারিজ করে দিয়েছে।
“আদালত বলেছে, তিনি (ফজলুল হক) অসাধু উপায়ে সম্পদ অর্জন করেছেন কিনা সেটা বিচারিক আদালতে বিচার চলার সময়ই নির্ণয় করা হবে। বিতর্কিত এ বিষয়টি দেখবে বিচারিক আদালত। এটা দেখার এখতিয়ার এ আদালতের নেই।”
হাই কোর্টের এই আদেশের ফলে বিচারকি আদালতে মামলার কার্যক্রম চলতে আইনগত আর কোনো বাধা থাকল না বলে দুদকের আইনজীবী জানান।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুদকের নোটিসের জবাবে বিচারপতি ফজলুল হক সম্পদের যে হিসাব বিবরণী দাখিল করেছিলেন, সেখানে প্রায় ৯৭ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করার তথ্য পেয়ে এই মামলা করা হয়।
“তদন্তে দেখা যায়, ঘোষিত আয়ের বাইরে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকার সম্পদ তিনি অসাধু উপায়ে অর্জন করেছেন। পরে এই দুটি অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। বিচারকি আদালতে মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।
জরুরি অবস্থার সময় ২০০৮ সালের ১৩ এপ্রিল রমনা থানায় এই মামলা দায়ের করে দুদক। ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে হাই কোর্ট মামলার কার্যকারিতা স্থগিতের আদেশ দিলেও পরে আপিল বিভাগে স্থগিতাদেশ উঠে যায়।- বিডিনিউজ