বিজাপুরে খতম আরো ১২ মাওবাদী, পাঁচ মাসে ১০০ পার!

আপডেট: মে ১০, ২০২৪, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক:


মাওবাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ফের বড় সাফল্য নিরাপত্তাবাহিনীর। ছত্তিশগড়ে বিজাপুরে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম ১২ মাওবাদী। পাশাপাশি গঙ্গালুর এলাকার পিডিয়া জঙ্গলে মাওবাদীদের ঘিরে ফেলে গুলির লড়াই এখনও চলছে বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার (১০ মে) যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১২ মাওবাদীর মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আনেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই। সব মিলিয়ে চলতি বছরে মাত্র ৫ মাসে ১০০ জনের বেশি মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে ছত্তিশগড়ে।

নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রের খবর, গঙ্গালুর থানা এলাকার অন্তর্গত পিডিয়া জঙ্গলে লিঙ্গা, পাপারাও-সহ একাধিক শীর্ষ মাওবাদী নেতার লুকিয়ে থাকার খবর আগে নিরাপত্তাবাহিনীর কাছে। এর পরই আঁটঘাট বেঁধে এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি অভিযানে নামে এসটিএফ, সিআরপিএফ, ডিআইজি ও কোবরা ব্যাটেলিয়ন। অভিযান চলাকালীন পিছু হঠবার জায়গা না পেয়ে মরিয়া হয়ে যৌথবাহিনীর উপর গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। পালটা জবাব দেয়া হয় জওয়ানদের তরফে। দুই তরফে দীর্ঘক্ষণ গুলির লড়াই চলার পর এখনও পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হয়েছে মৃত জঙ্গিদের কাছ থেকে।

প্রশাসন সূত্রে জানা যাচ্ছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাস পর্যন্ত ৯১ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছিল ছত্তিশগড়ে। এর পর এই অভিযানে সাফল্যের পর মাওবাদী মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ১০৩-এ। যা ২০১৯ সালের পর সর্বোচ্চ। তথ্য বলছে, ২০১৮ সালে ১১২ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছিল এই রাজ্যে। তার আগে ২০১৬ সালে ১৩৪ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়। যৌথ বাহিনীর এই সাফল্যের পর জওয়ানদের অভিনন্দন জানিয়েছেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ‘এই সাফল্যের জন্য নিরাপত্তা বাহিনীকে আমার অভিনন্দন। আমরা ক্ষমতায় আসার পর মাওবাদের মোকাবিলায় কড়া হাতে মাঠে নেমেছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দুজনেই মাওবাদকে গোড়া থেকে উৎখাত করতে চান। এটা সেই দবল ইঞ্জিনের সুফল।’

তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিদিন অনলাইন