মোহনপুরে বিদায়বরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নাভিশ্বাস

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৪, ৮:১৮ অপরাহ্ণ


মোহনপুর প্রতিনিধি:মোহনপুরের মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোতে চলছে এসএসসি পরিক্ষার্থীদের বিদায়বরণ অনুষ্ঠান। আয়োজকদের গুরুত্বহীনতার কারণে মঞ্চের দীর্ঘ সময় ধরে বক্তব্যে নাভিশ্বাস শিক্ষার্থীরা। প্রধান শিক্ষকের উদাসিনতায় অতিথিদের দীর্ঘ বক্তব্য দেয়ার কারণে এক দিকে নষ্ট হচ্ছে পরিক্ষার্থীদের মুল্যবান সময় অন্যদিকে দুপরের খাবার বিকেলে পরিবেশের জন্য নাভিস্বাস হয়ে পড়ছে বাকি শিক্ষার্থীরাও। এনিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট উচ্চবিদ্যালয়সহ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদায়বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে কেশরহাট উচ্চবিদ্যায়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মঞ্চে বক্তব্য চলে প্রায় বিকেল ৩টা পর্যন্ত। অনুষ্ঠান শেষে প্রথম পর্বে সোয়া ৩টায় অতিথিসহ বিশিষ্টজন ও শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রথম পর্বের খাবার পরিবেশিত হয়। তাদের খাওয়া দাওয়া শেষে পর্যায়ক্রমে বাকি শিক্ষার্থীদের খাবার দেয়া হয়। এতে সকাল দশটায় বিদ্যালয়ে আসা শিক্ষার্থী ক্ষুধার্ত পেটে অতিথিদের দীর্ঘ সময় ধরে চলা বক্তব্যে অতিষ্ট ও নাভিশ্বাস হয়ে পড়েন। এধরণের কালচার থেকে ফিরিয়ে আসার দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, আমাদের নাম পত্রিকায় লিখবেন না। লিখলে স্যাররা আমাদের বকবেন। বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৪টায় যদি দুপুরের খাবার দেয়া তাহলে কি অবস্থা হবে আপনিই বুঝেন। আমাদের সকালে বিদ্যালয়ে ডাকা হয়েছে । দুপুর ১টা থেকে ২টার মধ্যে খাবার দেয়া হলে কষ্ট করতে হতোনা।

নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক আকবর হোসেন জানান, কেশরহাট হাইস্কুল নানা কারণে কলঙ্কিত হয়ে পড়েছে। প্রধান শিক্ষকসহ অধিকাংশ শিক্ষকরা ছেলেমেয়েদের দরদ বুঝেনা। মঞ্চে এতা সময় ধরে বক্তব্য দিয়ে ছেলেমেয়েদের কষ্ট দিয়ে দুপুরের খাবার বিকেল ৪ টায় দেয়ার প্রবনতা দুর হওয়া প্রয়োজন। কর্তৃপক্ষ এবিষয়ে নজর দেবেন বলে আশাবাদী তিনি।

জানতে চাইলে কেশরহাট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, বিকেল পৌনে ৩টার মধ্যে খাবার পরিবেশন করা হয়েছে এসময় তো আমরা বাড়িতেও খাবার খায় এতে কিসের সমস্যা। আমাদের অতিথি বেশি হওয়ার জন্য সময় বেশি লেগেছে। ধামিন নওগাঁ উচ্চবিদ্যালয়েও তো বিকেল ৪টায় খাবার দেয়া হয়ে তা তো কেউ লেখেনা আমার স্কুল নিয়ে লেখার কি দরকার।

Exit mobile version