বিদ্যুৎ লোডশেডিং রোধে সর্বোচ্চ সর্তকতার আহ্বান লিটনের

আপডেট: আগস্ট ৮, ২০১৭, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


বিদ্যৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নওজোপাডিকো লি. রাজশাহীর প্রধান প্রকৌশলী ভারপ্রাপ্তর সঙ্গে বৈঠক করেন নগর আ’লীগৈর সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ওসাধারণ সম্পাদক ডাবলূসরকারসহ নেতৃবৃন্দ-সোনার দেশ

রাজশাহীতে ঘন ঘন লোডশেডিং নিয়ে বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন আ’লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও নগর সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। গতকাল সোমবার বেলা ১২টায় নওজোপাডিকো লি. রাজশাহীর প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) রকিবুল ইসলামের কক্ষে রাজশাহীর সাবেক মেয়র লিটন প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপি এ আলোচনা করেন।
এসময় খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, নগরীতে দুর্বিসহ লোডশেডিং, গ্রাহকদের উন্নত সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ সর্তক ও সজাগ থাকতে হবে। এতো ঘন ঘন বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ের কারণ এবং তা কিভাবে উত্তোরণ করা যায়। সে বিষয়ে বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন লিটন। লিটন আশা প্রকাশ করে বলেন, সকল অসংগতি ও ষড়যন্ত্র যদি থাকে তা হতে দূরে সরে সরকারের উন্নয়ন জনগণের দ্বারে পৌছে দিতে হবে।
এসময় বিদ্যুৎ কর্মকর্তাবৃন্দ নানা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরলে এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, সরকারের ভাবমূর্তি উন্নয়ন তথা রাজশাহীবাসীর সীমাহীন দুর্ভোগ যাতে হ্রাস করা যায়, সে লক্ষে কাজ করতে হবে। যাতে লোডশেডিং এর প্রভাব থেকে রাজশাহীবাসী মুক্তি পায়। লিটন বলেন, হঠাৎ করে বিদ্যুৎ লোডশেডিং মাত্রাতিরিক্ত হওয়ায় এখানকার শিল্পায়ন শিক্ষা ব্যবস্থা যেমন বিপর্যয় ঘটছে, তেমন প্রতিটি বাসা-বাড়িতে শিশু, বৃদ্ধ মা- বোনদের সীমাহীন কষ্ট পোহাতে হচ্ছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, মহানগর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, সহসভাপতি শাহাদৎ হোসেন, নগর শ্রমিক লীগের সভাপতি বদরুজ্জামান খায়ের, সাধারণ সম্পাদক আবদুস সোহেল, নওজোপাডিকো লি. রাজশাহীর জেনারেল ম্যানেজার একেএম মুশফিকুর রহমান (এফসিএ), তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, উপপরিচালক আবদুল মুত্তালিব, সহকারি পরিচালক গোয়েন্দা ও অনুসন্ধান শরিফুল ইসলাম, সহকারি পরিচালক (হিসাব) লিটন কুমার আচার্য্যসহ বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা।
এরআগে বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগ রাজশাহীর সিবিএ কার্যালয়ে এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হয়। বৈঠকে ১৫ আগস্ট জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগ সিবিএ যৌথ ও ঐক্যবদ্ধভাবে শোকাবহ দিবস পালনসহ সাংগঠনিক কাজ ঐক্য ও সমতা বজায় রেখে করার সিদ্ধান্ত হয়।