বিনম্র শ্রদ্ধায় ড. জোহাকে স্মরণ

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৭, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ

রাবি প্রতিবেদক


বিনম্র শ্রদ্ধায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. শামসুজ্জোহাকে স্মরণ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীলা। দিবসটি উপলক্ষ্যে গতকাল শনিবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন, আবাসিক হল ও অন্যান্য ভবনে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। শহীদের মাজারে পুস্পস্তবক অপর্ণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ। অনুষ্ঠিত হয়েছে শোক র‌্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল।
সকাল ৭টায় ড. জোহার কবর ও স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এসময় ড. জোহার আত্মার শান্তি কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর রসায়ন বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগ ও শহীদ শামসুজ্জোহা হলসহ অন্যান্য আবাসিক হল, পেশাজীবী সমিতি ও ইউনিয়ন,এ্যালামনাই এসোসিয়েশন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন র‌্যালি নিয়ে শহিদ জোহার সমাধি ও স্মৃতিফলকে পুস্পস্তবক অর্পণ করে। সকাল সাড়ে ৮টায় অফিসার সমিতি কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ১০টায় সিনেট ভবনে রসায়ন বিভাগের আয়োজনে জোহা স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়। স্মারক বক্তৃতায় রসায়ন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্মারক বক্তা ছিলেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক সনৎকুমার সাহ। স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজানউদ্দিন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সায়েন উদ্দিন আহমেদ।
দুপুরে রাবি অফিসার্স সমিতির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটরিয়ায় রাবি ছাত্র ফ্রন্টের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
দিবসটি উপলক্ষে বিকেল ৪টায় শহিদ শামসুজ্জোহা হলে আলোচনা সভা ও সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্বলন অনুষ্ঠিত হয়। এদিন শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।
১৯৬৯ সালে শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে আত্মত্যাগ করা তৎকালীন প্রক্টর অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহার মৃত্যুবার্ষিকী ১৮ ফেব্রুয়ারিকে ‘শিক্ষক দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে দিবসটিকে ‘জাতীয় শিক্ষক দিবস’ ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসলেও ৪৮ বছরেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ