বিভাগের প্রথম রাজশাহী জেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত করার উদ্যোগ

আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০১৭, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


ভিডিও কনফরেন্সে বক্তব্য দেন বিভাগীয় কমিশনার নুর-উর- রহমান- সোনার দেশ

বিভাগের প্রথম রাজশাহী জেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
গতকাল শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি) আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় ভিক্ষুকিমুক্তকরণ বিষয়ে রাজশাহী বিভাগীয় ভিডিও কনফারেন্সিং অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ভিডিও কনফারেন্সিঙের অব্যবহিত পরেই বিভাগীয় কমিশনার নূর উল ইসলাম রাজশাহী জেলাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভিক্ষুকমুক্ত জেলা ঘোষণার উদ্যোগ নেয়ার প্রস্তাব করেন। তাঁর এই প্রস্তাব ভিডিও কনফারেন্সিঙে উপস্থিত সকলেই সমর্থন করেন। রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দীন রাজশাহী জেলাকে সর্বসম্মতি ভিক্ষুকমুক্তকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সব শ্রেণিপেশার মানুষ এবং সংস্থা ও সংগঠনের সমর্থন ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তিনি বলেন, আমরা সকলেই দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে পারলে অচিরেই রাজশাহীকে ভিক্ষুকমুক্ত করা সম্ভব হবে।
এর আগে ভিডিও কনফারেন্সিঙের সঞ্চালক আবুল কালাম আজাদ প্রথমেই রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার নূর উল ইসলামের কাছ থেকে ভিক্ষুকমুক্তকরণে আট জেলার কর্মসূচিসমূহের ব্যাপারে জ্ঞাত হন। এরপর তিনি একে একে প্রতিটি জেলার জেলা প্রশাসক ও বিভিন্ন অংশীজনদের কাছ থেকে কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে জানেন এবং পরামর্শ গ্রহণ করেন।
ভিডিও কনফারেন্সিঙের সঞ্চালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক ২০১৮ সালের মধ্যে দেশকে ভিক্ষুকমুক্ত করতে হবে। সেই লক্ষেই কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ভিক্ষুকমুক্তকরণে সমস্যার নানা মাত্রিক ভিন্নতা আছে। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সমন্বিত উপায়ে সকলের আন্তরিক সদিচ্ছায় দেশকে ভিক্ষুকিমুক্ত করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে না পারলে বিক্ষুকমুক্তকরণ কর্মসূচি সফল করা সম্ভব হবে না। প্রশিক্ষণ কর্মসূচি জোরদার করতে হবে এবং ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা মোতাবেক জামানত ছাড়াই ঋণ প্রাপ্তি সহজিকরণ করতে জেলা প্রশাসকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
রাজশাহী ভিডিও কনফারিন্সিঙে বক্তব্য রাখেন, বিভাগীয় কমিশনার নূর উল ইসলাম, জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দিন, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান। এ ছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব এবং উন্নয়ন ও আইসিটি) সুলতান আবদুল হামিদ, বিশিষ্ট সমাজসেবি শাহীন আখতার রেনী, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পৌর মেয়র, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ নাগিরিক প্রতিনিধিবৃন্দ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ