বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা লাভজনক প্রতিষ্ঠানে থাকতে পারবেন না

আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২০, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালগুলোর চাকরিবিধি/প্রবিধির যথাযথ প্রয়োগ ও প্রতিপালন, গবেষণা খাতে বরাদ্দ অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ৪৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের চিঠি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের লেখা পৃথক চিঠিতে এসব অনুরোধ জানানো হয়।
ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক মো. কামাল হোসেন চিঠিগুলোতে সই করেছেন।
চিঠিতে বলা হয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক-কর্মকর্তা বা কর্মচারী কর্তৃক স্বীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিবিধি/প্রবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ ও প্রতিপালন করা অবশ্য কর্তব্য। চাকরিবিধি/প্রবিধি অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত কোন শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী যথাযথ কর্তৃপক্ষের বিনানুমতিতে অন্য কোন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যক্তিগতভাবে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা বা কোন ধরনের লাভজনক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকতে পারেন না।
‘কিন্তু কোনো কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের মধ্যে কেউ কেউ চাকরিবিধি/প্রবিধি অমান্য করে কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে একদিকে যেমন সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে যাচ্ছেন, অন্যদিকে আবার কেউ কেউ ব্যক্তিগতভাবে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানও পরিচালনা করছেন, যা কমিশনের গোচরীভূত হয়েছে। ’
এমন কর্মকাণ্ড চাকরি বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক স্বার্থে স্ব-স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিবিধি/প্রবিধি যথাযথ প্রয়োগ, অনুসরণ ও প্রতিপালনের নিশ্চয়তা বিধানের জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের পরিচালন ও উন্নয়ন খাতে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের চাহিদা মতো প্রতি অর্থবছরে সরকার অর্থ বরাদ্দ দিয়ে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে গবেষণা কার্যক্রম অন্যতম বিধায় কমিশন গবেষণা কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এ খাতে অর্থ বরাদ্দ প্রদান করে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাদ্দকৃত অর্থের সাহায্যে গবেষণা প্রকল্প আহ্বান এবং প্রাপ্ত গবেষণা প্রকল্প পরীক্ষা-নিরীক্ষান্তে চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত প্রকল্পের অনুকূলে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকে।
গবেষণাখাতের অর্থ গবেষণা কার্যক্রমে ব্যয় করার নিয়ম থাকলেও কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এ নিয়মের ব্যত্যয় ঘটছে, যা কমিশনের নিকট পরিদৃষ্ট হয়েছে। গবেষণাখাতে বরাদ্দকৃত সমুদয় অর্থ শুধুমাত্র নির্বাচিত গবেষণা প্রকল্পের কার্যক্রমে ব্যয়ের নিশ্চয়তা বিধানের জন্য অনুরোধ করা হয় চিঠিতে।
তথ্যসূত্র: বাংলানিউজ