বিশ্বে হাতির সংখ্যা মাত্র ৫০ হাজার! বিপন্ন আরও কিছু চেনা প্রাণী

আপডেট: মার্চ ৪, ২০২১, ১০:০৮ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক:


বুধবারই গেল বিশ্ব বন্যপ্রাণ দিবস। যথারীতি পালিত হল দিনটি। কিন্তু এমন একটি দিনেই কয়েকটি প্রাণীর ক্ষেত্রে যে-তথ্য সামনে এল তা যথেষ্ট ভয়-ধরানো।
সেই উদযাপনে কয়েকটি প্রাণী সম্বন্ধে শোনা গেল বেশ মনখারাপের খবর। জানা গেল, চিরচেনা কিছু পশুরা বেঁচে আছে মোটে কয়েকটি।
#হাতি: বন-সংসারের অন্যতম বড় ও রাজকীয় প্রাণী হল হাতি। জেনে আশ্চর্য লাগবে যে, এহেন প্রাণীটি ক্রমেই অবলুপ্তির পথে এগিয়ে চলেছে। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচার (ডড়ৎষফ ডরষফ ঋঁহফ ভড়ৎ ঘধঃঁৎব) বা ডব্লুডব্লুএফের (ডডঋ) পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্বে এই মুহূর্তে মেরেকেটে মাত্র ৪০-৫০ হাজার হাতি অবশিষ্ট রয়েছে। এর জন্য চোরা শিকারই দায়ী বলে মনে করছেন পশুপ্রেমীরা।
#সিংহ: বনের রাজার অবস্থা মোটেই ভাল নয়। সাম্প্রতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, আফ্রিকায় সিংহের সংখ্যা ২০ হাজার। চোরাশিকার, গুপ্ত খুনই এর জন্য দায়ী বলে মনে করছেন। ভারতে সিংহের সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু বাড়ছে না তাদের বৈচিত্র। পুরো বিষয়টি নিয়ে শঙ্কায় ভুগছেন পরিবেশপ্রেমীরা।
#গণ্ডার: মারি তো গণ্ডার। খড়্গরে জন্য গণ্ডারনিধন বিশ্বের সর্বত্র। অসম থেকে উত্তরবঙ্গ– গণ্ডারের সংখ্যা কমেছে উল্লেখযোগ্য ভাবে। পরিসংখ্যান বলছে, গোটা বিশ্বে গণ্ডারের সংখ্য়া ২৭ হাজারে এসে দাঁড়িয়েছে। সুমাত্রা বা জাভার গণ্ডারের প্রজাতি এখন আর প্রায় খুঁজেই পাওয়া যায় না।
#গরিলা: ভাবে-ভঙ্গিতে আকারে-প্রকারে এর মধ্যে একটা মানুষ-মানুষ ভাব রয়েছে। তাই চিড়িয়াখানায় গিয়ে দর্শকেরা বেশ তাড়াতাড়ি মজে যায় প্রাণীটিতে। কিন্তু দুঃখের হল যে, এই প্রাণীটিকে লাল তালিকাভুক্ত করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অফ নেচার। আফ্রিকার সাব-সাহারান রিজিওন ছাড়া বিশ্বে গরিলা প্রজাতির প্রাণী এখন কার্যত অমিল। সামগ্রিক পরিস্থিতির বিচারে গণ্ডারের এবার বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা।
#ভাকুইটা: এই প্রাণীটিকে খুব একটা চিনি না আমরা। ডলফিনের মতো প্রাণীটিকে সচরাচর দেখাও যায় না। জলজ এই প্রাণীটির সংখ্যা এক সময় ছিল বিপুল। কিন্তু মেক্সিকো উপকূলে চোরা শিকার ও অবৈধ চালানের কারণে প্রাণীটির সংখ্যা কমছে বলে জানানো হয়েছে। বর্তমানে ভাকুইটা প্রজাতির ডলফিনের সংখ্যা কমে অবিশ্বাস্য ভাবে মাত্র ১০-এ এসে দাঁড়িয়েছে!
আমাদের গ্রহের ইরড়ফরাবৎংরঃু নিয়ে খুবই চিন্তিত পরিবেশপ্রেমীরা। এর মধ্যে এই খবর তাঁদের কপালের ভাঁজ আরও গভীর করল। এই মুহূর্তে প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণেই (পড়হংবৎাধঃরড়হ ড়ভ ঃযব হধঃঁৎধষ ড়িৎষফ) জোর দিচ্ছেন বিশ্বজুড়ে পরিবেশপ্রেমী।
তথ্যসূত্র: ২৪ঘণ্টাডটকম

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ