প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা এইচটি ইমামের মৃত্যুতে শোক

আপডেট: মার্চ ৪, ২০২১, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ সরকারের প্রথম সচিব এইচটি ইমামের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বিভিন্ন রাজনৈতিক,সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষ।
রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ : প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা’র রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তৌফিক ইমামের মৃত্যুতে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন এবং সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বার্তায় নেতৃদ্বয় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগ: গভীর শোক প্রকাশ করেছেন, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগ এর সভাপতি মেরাজ উদ্দিন মোল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ দারা। কীর্তিমান এই ব্যক্তির আকষ্মিক মৃত্যুতে নেতারা তার স্মৃতিচারণ করে শোক বিবৃতিতে বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালে ১৯৭১ সালের জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের আহ্বানে পূর্বাঞ্চলের আঞ্চলিক প্রশাসনের পদে থেকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে যোগদান করেন এইচ টি ইমাম। ১৯৭৫ সালের ২৬ আগষ্ট পর্যন্ত তিনি এই পদে আসীন ছিলেন। বিজয়ের অব্যবহিত পর বাংলাদেশের বিপর্যস্ত প্রশাসন-ব্যবস্থা সচল করে তোলা এবং দেশ পুনর্গঠনের কাজে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অন্যান্য সহকর্মী এবং মন্ত্রীদের সঙ্গে তিনি নিয়োজিত ছিলেন। এই দায়িত্বে সাড়ে চার বছরে তিনি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ সরকারের নতুন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, করপোরেশন ইত্যাদির রূপরেখা তৈরি ছাড়াও পাকিস্তান আমলের পুরাতন নিয়ম-কানুন ও পদ্ধতির আমুল সংস্কারে মুখ্য ভূমিকা রাখেন। বিবৃতিতে তারা আরো বলেন, তার এই চলে যাওয়া জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। দেশ এক মেধাবী সন্তানকে হারালো এবং প্রধানমন্ত্রী হারালেন তার এক বিশ্বস্ত সহযোদ্ধাকে।
প্রফেসর ড. আবদুল খালেক: গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুল খালেক। বৃহস্পতিবার এক শোকবার্তায় প্রফেসর ড. আবদুল খালেক বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে এইচ টি ইমামের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তিনি স্বাধীনতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে কাজ করে গেছেন। তার মৃত্যুতে আওয়ামী লীগ একজন নিবেদিত প্রাণ নেতাকে হারাল। আমরা দুইজন ছিলাম পাশাপাশি গ্রামের মানুষ। তা সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিলো অত্যন্ত আন্তরিক। আমি একজন শুভাকাঙ্খিকে হারালাম। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।