বৃষ্টির অজুহাতে সবজির দাম চড়া, কমেনি গরুর মাংসের

আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০২৩, ৭:১০ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


ঘূর্ণিঝড় মিগজ্যামের প্রভাবে রাজশাহীতে বৃষ্টি হয় দু’দিন। বৃষ্টির অজুহাতে দাম বেড়েছে সব ধরনের সবজির। গত সপ্তাহের মতো এই সপ্তাহেও ৭৫০ টাকা কেজিতে মাংস বিক্রি হয়েছে। বেড়েছে আলু, পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের দাম।

রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) নগরীর সাহেববাজার, নিউমার্কেট, শালবাগান ও নওদাপাড়া বাজারে দেখা যায়, প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। এছাড়াও এই সপ্তাহে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। আলু বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা কেজি দরে। এছাড়া আদা ২৫০ টাকা। রসুন বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়।

গত সপ্তাহে গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৭৫০ টাকায়। এই সপ্তাহে কোনো কোনো দোকানে ৭৮০ টাকাও বিক্রি হতে দেখা গেছে। রাজধানীতে গরুর মাংসের দাম ৬৫০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও রাজশাহীতে এর কোনো প্রভাব নেই। গরুর মাংস বিক্রেতারা বলছেন, গরুর দাম না কমলে আমরা মাংসের দাম কমাতে পারবো না। আমাদের এক মণের গরুর দাম পড়ে ৩০ হাজার টাকা। লাভ হয় খুব কম। এ কারণে দাম কমানো সম্ভব না।

নগরীর সাহেববাজারের মাংস বিক্রেতা আলী আহমেদ বলেন, ৩ মণের একটি গরুর দাম ১ লাখ বা এর বেশি লাগে। আবার ক্রেতারা হাড় ও চর্বি নিতে চায় না। একটি গরুর সাথে হাড়-চর্বিও থাকে। গরুর দাম কমলে আমরা মাংসের দাম কমাতে পারবো। ৩ মণের গরু যদি আমরা ৮০ হাজার টাকায় পাই তাহলে ৬০০ টাকায় বিক্রি করা সম্ভব।

এদিকে বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে দাম বাড়ানো হয়েছে সব ধরনের সবজির। করলা বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা, কচু ৭০ টাকা, লাউ ৫০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০, শসা ৬০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, সজনে ৬০ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা, বেগুন ও ফুলকপি ৬০ টাকা, বাধাকপি ৫০. মুলা ৪০, পটল ৫০, গাজর ৮০, শিম ৬০, টমেটো ৬০ টাকা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, সবজির সরবরাহ কম থাকার কারণে দাম বেড়েছে। চাহিদাও আছে সবজির। দুয়েকদির পর দাম কমতে শুরু করবে।
এ সপ্তাহে বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়। সোনালী মুরগি ২৮০ টাকা, দেশি মুরগি ৪৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। পাতিহাঁস বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকা। এ সপ্তাহে মুরগির লাল ডিম ৪৮ টাকা হালি ও সাদা ডিম ৪৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

প্রতিকেজি সিলভার কার্প ২৫০ টাকা, পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকা, বড় তেলাপিয়া ৩০০ টাকা, রুই ৩৫০-৪০০ টাকা, কাতল ৪০০ টাকা, কই ৫৫০ টাকা, টেংরা ৬০০ টাকা, পাবদা ৬০০ টাকা, শিং ৬০০ টাকা, বোয়াল ৭৫০ টাকা, বাগদা চিংড়ি ৯০০ টাকা ও গলদা চিংড়ি ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ