বৃষ্টি-বন্যার অজুহাতে বেড়েছে সবজির দাম সপ্তাজুড়ে ঝাঁজ ছড়াচ্ছে মরিচ

আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২০, ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


বন্যা-বৃষ্টিপাতের কারণে কাঁচা মরিচের দাম বাড়ছে সোনার দেশ

বৃষ্টি আর বন্যা, এমন অজুহাতে দাম বেড়েছে সবজির। বৃষ্টিতে পচন ধরেছে সবজিতে। আর বন্যায় সবজিসহ গাছও। এমন অবস্থার কথা জানিয়ে দাম বাড়ার কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজশাহীর বাজারে প্রায় সবধরনের সবজির দাম বেড়েছে পাঁচ থেকে সাত টাকা। যদিও বাজারে ঝাঁজ ছড়াচ্ছে কাঁচা মরিচ। বাজারে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা দরে। তবে আগামি কয়েক দিনের মধ্যে আরও বাড়তে পারে সবজির দাম এমনটি বলছিলেন সবজি ব্যবসায়ীরা।
অন্যদিকে, মাংসের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও হেরফের হয়েছে মাছের দামে। পুকুরের মাছের দাম না বাড়লে বেড়েছে নদীর মাছের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নদীতে বেশি পানি হওয়ায় মাছ ধরতে তেমন পারছেন না জেলেরা। তাই দাম একটু বেশি।
রাজশাহীর বিনোদপুর বাজারে প্রতিকেজি আলু ৩০ টাকা, পটল ২০ টাকা, চিচিঙ্গা ২০ টাকা, কাকরোল ৪০ টাকা, পুইশাক ১৫ থেকে ২০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, কলা প্রতিহালি ২০ টাকা, ঢেঢ়স ২০ টাকা, বরবটি ১০ টাকা বেড়ে ৪০ টাকা, করলা ৪০ টাকা, শশা ৪০ টাকা থেকে দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে। এছাড়া লেবু প্রতিহালি ১০ টাকা, কচু ৪০ টাকা, কচুর লতি ৩০ টাকা, পেঁয়াজ ৪০ টাকা, রসুন ১০০ টাকা, আদা ১৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, লাউ প্রতিটি ৩৫ টাকা।
বিনোদপুর এলাকার সবজি বিক্রেতা শাহিন জানায়, কিছু কিছু সবজিতে তিন-পাঁচ টাকা বেড়েছে। এছাড়া বেশির ভাগ সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে বৃষ্টি ও বন্যার কারণে সবজিতে পচন ধরেছে। তাই আমদানি কম হওয়ায় দামও বেড়েছে।
অন্যদিকে, নগরীর সাহেববাজার মাছ আড়তের মাছ ব্যবসায়ী মমিন জানান, পুকুরে চাষ করা মাছের দাম বাড়েনি। তবে বেড়েছে নদীর মাছের দাম।
তিনি জানান, সাহেববাজারে প্রতিকেজি রুই ২২০ থেকে ২৮০ টাকা, কাতল মাছ ২৫০ থেকে ২২০ টাকা, গ্লাসকাপ ২০০ থেকে ১৫০ টাকা, তেলাপিয়া মাছ ১২০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়।
এদিকে নদীর প্রতিকেজি ইলিশ এক হাজার থেকে ১২শো টাকা, কাটা পাতাসি ৮০০ টাকা, জিওল ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, আইড় মাছ ৮০০ থেকে ৬০০ টাকা, বাঁশপাতা ৮০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়।
মাছ কিনতে আসা রায়হান জানান, নদীর মাছের দাম, আগে থেকেই বেশি। কয়েক দিন হলো পুকুরের মাছের দাম বেশি নিচ্ছে বিক্রেতারা।
গরুর মাংস বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৪০ টাকা এবং খাশির গোশত সাড়ে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়। এছাড়া প্রতিহালি মুরগির ডিম ৩০ থেকে ৩২ টাকায় বিক্রি হয়।