বেড়েছে চাল ও সবজির দাম,কমেছে মাছের দাম

আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২০, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


রাজশাহীর বাজারে বেড়েছে চাল ও সবজির দাম। বাজারে চালের প্রতি কেজিতে বেড়েছে দুই থেকে তিন টাকা। এছাড়া সবজিতে বেড়েছে ৫ থেকে সাত টাকা। তবে ঝাঁজ বেড়েছে পেঁয়াজ, রসুন ও আদায় দামে। পেঁয়াজে বেড়েছে ১০ টাকা। কিন্তু আদা ও রসুনে বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। আর মাছের দামে কেজিতে কমেছে ২০ থেকে ৩০ টাকা বলে ব্যবসায়ীরা জানায়।
চাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, চালের কেজিতে দুই তিন টাকা বেড়েছে খুচরা বাজারে। তবে অনেক পাইকারদের আগের চাল কেনা আছে। তারা সেই আগের দামেই বিক্রি করছে। তারা বলছেন, চাল শেষে যদি বেশি দামে কেনা পড়ে তাহলে বেশি দামে বিক্রি করবেন তারা।
সাহেববাজারের ‘এপি চাল ভান্ডার’র বিক্রেতা মিলন প্রসাদ জানান, চিকন সুমন স্বর্ণা বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকা, আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪ টাকা, মিনিকেট ৫২ টাকা, পাইজাম ৫০ টাকা, নাজিরশাল ৬০, চিরাশাল ৫২, বাশমতি ৬২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া পোলাও চালের মধ্যে কালোজিরা ৯০ টাকা, চিনিগুড়া ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, তার দোকানে সব আগের চাল রয়েছে। সেই জন্য আগের দামে বিক্রি করা হচ্ছে। এবার চাল কেনার উপরে নির্ভর করবে দাম।
অন্যদিকে, সবজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ৭ টাকা। তবে বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কম থাকায় বেড়েছে। আর ক্রেতারা বলছেন, করোনা ভাইরাসের অজুহাতে বেশি দোকান খুলছে না। তাই দাম বেশি নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা।
শুক্রবার ৯১৭ এপ্রিল) কাটাখালী বাজারে আলু বিক্রি হয়েছে ২৪ টাকা, বেগুন ২০ টাকা, পেঁয়াজ ৫০ টাকা, আদা ২৫০ টাকা, রসুন ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। অন্যদিকে, ঢেঢ়স বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা, করলা বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা, টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা, পুইশাক বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা।
সাহেববাজারের মাছে বিক্রেতা আবদুল মোমিন বলেন, গত সপ্তার তুলায় মাছের দামে কেজিতে কমেছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। বাজারে রুই মাছ বিক্রি ২৮০ থেকে ২০০ টাকা, সিলভার মাছ ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, কাতল মাছ ২২০ থেকে ৩০০ টাকা, কই মাছ (চাষের) ১৬০ টাকা। এছাড়া নদীর মহালা বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি, বোয়াল ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, পাবদা (চাষের) ৪০০ টাকা কেজি।