বেড়েছে জুতা ও স্যান্ডেল বিক্রি

আপডেট: জুন ১৮, ২০১৭, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


নগরীর সাহেববাজারের একটি দোকানে জুতা-স্যঅন্ডেল ক্রেতারা সোনার দেশ

ঈদের আর কয়েকদিন বাকি। পছন্দের জুতা স্যান্ডেল কেনার জন্য শোরুমগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। জুতা স্যান্ডেলের শোরুমগুলোতে যাচ্ছেন সকল বয়সি মানুষ। তবে এবার ঈদে বেশিরভাগ মানুষের পছন্দের তালিকায় রয়েছে দেশি বা বিদেশি ব্রান্ডের জুতা স্যান্ডেল। দাম একটু বেশি হলেও কোয়ালিটি সম্পন্ন  দেখে এমন জুতা স্যান্ডেল কিনছেন ক্রেতারা।
নগরীর নিউমার্কেট শাখার ‘বে’ এর ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম জানান, ক্রেতাদের পছন্দের কথা মাথায় রেখে ১২ থেকে ১৫ ধরনের নতুন ডিজাইনের জুতা স্যান্ডেল নিয়ে এসেছে। উন্নতমান ও কোয়ালিটি সম্পন্ন বে এর স্যান্ডেল ৫৯০ টাকা থেকে শুরু করে দুই হাজার ৬৯০ টাকা। আর জুতা ১ হাজার ১৯০ টাকা থেকে শুরু করে ৩ হাজার ৪৯০ টাকা পর্যন্ত।
তিনি বলেন, এবার রোজার শুরুর দিকে তেমন বিক্রি ছিলো না। তবে তিন-চার দিন আগে থেকে একটু বেশি বিক্রি শুরু হয়েছে। আশা করছি আর দুই একদিনের মধ্যে পুরোদমে বিক্রি শুরু হবে। আমাদের এখানে সব বয়সের ছেলে-মেয়ের জন্য জুতা-স্যাডেল রয়েছে।
স্যান্ডেল কিনতে আসা ফাইয়াজ ও তার মা মাঞ্জুমা খানম জানায়, ছেলের পছেন্দের স্যান্ডেল কেনা হলো। এখন পরিবারের আর বাকি সদস্যদের কিনবো। এবার নতুন ডিজাইনের বেশ কিছু স্যান্ডেল ও জুতা আসেছে। তার মধ্যে থেকেই কিনতে হবে।
এপেক্সের জুতা স্যান্ডেলগুলোর দাম বেশি হলেও টেকসই ভালো। তাই ক্রেতারা এ্যাপেক্সের জুতা-স্যান্ডেল কেনেন। আবার আগের তুলেনায় কিছু নতুন স্যান্ডেল ও জুতা এসেছে। তবে দামটা ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই আছে বলে জানায়, শো-রুমের ম্যানেজার শামসুজ্জামান মৃধা। তিনি বলেন, এবার ঈদের জন্য বেশ কিছু ডিজাইনের  জুতা-স্যান্ডেল নিয়ে আশা হয়েছে। এগুলো ৫৯০ টাকা থেকে শুরু করে ৬ হাজার ৯৯০ টাকা পর্যন্ত।
এপেক্সে জুতা স্যান্ডেল কিনতে আসা রুহুল আমিন জানায়, নতুন নতুন কিছু ডিজাইনের স্যান্ডেল আবার এসেছে সেগুলো আরো ভালো লাগছে। গরমের কথা ভেতে একটু আরামদায়ক স্যান্ডেলগুলো কিনছেন তারা।
শুধু ‘বে’ বা এপেক্সেই নয়, লোটো, বাটাসহ অন্যান্য জুতার শোরুমগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়  লক্ষ্য করা গেছে। তবে সাধ্যের মধ্যেই নিজেদের পছন্দের জুতা বা স্যান্ডেল কিনছেন ক্রেতারা।
এতো গেলো জুতা-স্যান্ডেলের কথা। ক্রেতাদের সুবিধার জন্য এক ব্যতিক্রমি ব্যবস্থা। শো-রুমগুলোতে ক্রেতাদের জন্য পণ্যের মূল্য পরিশোধের ব্যবস্থা করেছে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে। নগরীর বিভিন্ন শো-রুমে ক্রেতারা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পণ্যের টাকা পরিশোধ করতে পারবে। এই জন্য দেশের বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান এর ব্যবস্থা করেছে। যেমন বাংলালিংক, বিকাশ ও রকেটের মাধ্যমে। এতে করে ক্যাশ ব্যাক পাচ্ছেন ক্রেতারা। তবে নগরীর বেশি ভাগ শো-রুমগুলোতে এখনো চালু হয়নি এমনটি বলছিলেন শোরুমের ব্যবস্থাপকরা। এদিকে ক্রেতাদের সুবিধার্থে সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত শোরুম খোলা রাখা হচ্ছে।