বেড়েছে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম

আপডেট: মে ১৮, ২০২২, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহীর বাজারে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজ কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা; আর, রসুন কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। তবে বিক্রেতারা ইচ্ছেমত দাম চাইছেন বলেও জানাচ্ছেন ক্রেতারা।

দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকার সাপ্তাহিক বাজারদরের প্রতিবেদনে উঠে আসে গত ২২ এপ্রিল (শুক্রবার) প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। রসুনের ছিল ৬০ টাকা। ইদের পর মে ৬ (শুক্রবার) প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৫ টাকা বেড়ে ৩০ টাকা ও রসুন ২০ টাকা বেড়ে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

১৩ মে (শুক্রবার) পেঁয়াজের দাম ১০ টাকা বেড়ে ৪০ টাকা ও রসুনের দাম ৪০ টাকা বেড়ে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার (১৭ মে) নগরীর বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা কেজি ও রসুন ১০০ টাকা দরে।

এদিন নগরীর সাহেববাজার, নিউমার্কেট, লক্ষ্মীপুর বাজারসহ কয়েকটি বাজারে ৩০, ৩৫ ও ৪০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। দেশি রসুন ১০০ টাকা ও চায়না রসুন ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, জেলার বাহিরে থেকে আসছে না পেঁয়াজ। গ্রামের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। জেলার ভবানীগঞ্জ, তাহেরপুর, বানেশ্বর, হাটগাঙ্গোপাড়া, খড়খড়ি, দুর্গাপুরসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে পেঁয়াজ ও রসুনের সরবরাহ কম।

রাজশাহীর মাস্টারপাড়ার পাইকারি পেঁয়াজ ও রসুন বিক্রেতা নূরে আলম জানান, পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা বেশি দিন মজুদ করে রাখতে পারবে না। আসলে, কৃষকেরা ঘরে রেখেছে পেঁয়াজ, দাম বাড়লে বিক্রির আশায়। এছাড়া আগামী বছর পেঁয়াজ চাষ করার জন্য বীজ আকারে সংরক্ষণ করছেন অনেকেই।

গৃহিণী জানান, দু’তিন টাকা নয়; ১০ থেকে ২০ টাকা করে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম বেড়েছে। চায়না রসুনের কেজি ১৬০ টাকা। গত কয়েকদিন আগে ১২০ থেকে ২৫ টাকা ছিল। এভাবে দাম বাড়লে বাজারসদা করা কষ্টকর হয়ে পড়বে।

না প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, প্রতি মণ পেঁয়াজে ২০০ টাকা করে লাভ হয়। গত মাসে প্রতিমণ পেঁয়াজ ৯০০ টাকায় এনে ১ হাজার ২০০ টাকায় পাইকারি দিয়েছি। এ সপ্তাহে সেই পেঁয়াজ ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকায় নিয়ে আসতে হচ্ছে। আমরা বাজারে প্রতিমণ পেঁয়াজ দিচ্ছি ২ থেকে ৩০০ টাকা মুনফা রেখে।

এরকম প্রতিমণ রসুনও। গত মাসে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা এনেছি; পাইকারে দিয়েছি ২ হাজার ২০০ টাকায়। সেই রসুন এ সপ্তাহে ৪ হাজার টাকা মণ এনে ৪ হাজার ২০০ টাকায় পাইকারে দিচ্ছি।

ক্রেতা রাশেদুল ইসলাম জানান, বাজারের সব কিছুর দাম বাড়তি। আলোচনায় এতদিন সয়াবিন তেল ছিল। আবার যুক্ত হয়েছে পেঁয়াজ ও রসুন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ