বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে সর্বোচ্চ রেকর্ড

আপডেট: মার্চ ২, ২০১৭, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



বাংলাদেশে ২০১১ সালে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৯৬০ কোটি ডলার। বর্তমানে এই রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২.৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। এটি বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের সর্বোচ্চ রেকর্ড বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক শুভঙ্কর সাহা।
গতকাল বুধবার তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়েছে।’ তিনি বলেন, ‘প্রতি মাসে চার বিলিয়ন ডলার আমদানি খরচ হিসাবে এই রিজার্ভ দিয়ে ৮ থেকে ৯ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব হবে।’
তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। দেশের গার্মেন্টস খাতের রফতানি ও প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো অর্থ এই রিজার্ভ গড়ায় প্রধান ভূমিকা রেখেছে।’
প্রসঙ্গত, অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে প্রবাসী শ্রমিকেরা। তাদের পাঠানো অর্থ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে অন্তত ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যোগ করেছে।
এর আগে ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর রিজার্ভ ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলার অতিক্রম করেছিল। তবে নভেম্বর-ডিসেম্বর মেয়াদে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) দেনা পরিশোধের পর তা ৩২ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে গিয়েছিল।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৯৩ কোটি ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২ দশমিক ৫২ শতাংশ কম। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে অর্থাৎ জুলাই-জানুয়ারি সময়ে গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৬ দশমিক ৯২ শতাংশ কম রেমিটেন্স এসেছে। তবে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আগের অর্থবছরের চেয়ে রফতানি আয় প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছিল। অবশ্য চলতি অর্থ বছরের জুলাই-জানুয়ারি মেয়াদে রফতানি আয় বেড়েছে ৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এই সাত মাসে বিদেশি সাহায্য ১০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
এদিকে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত আমদানি হালনাগাদের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ের সার্বিক আমদানি ব্যয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ বেড়েছে।-বাংলা ট্রিবিউন