বড়াইগ্রামে অজ্ঞান অবস্থায় সাত যাত্রী উদ্ধার

আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০১৭, ১:৩৮ পূর্বাহ্ণ

নাটোর অফিস


নাটোরে বড়াইগ্রামের বনপাড়া বাইপাস মোড় থেকে অজ্ঞান অবস্থায় ৭ যাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে তাদের উদ্ধার করা হয়। এরা হলো নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার চকমুনসুর গ্রামের ছাবেদ আলীর ছেলে সাদিকুল ইসলাম (২৯), রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার উদপাড়া গ্রামের জুনাপ আলীর  ছেলে হালীম সেখ (৩৬), চাঁপাইনবাবগঞ্জের দেবীনগরের ছৈবুর রহমানের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম (২৩), নাটোরের নলডাঙ্গার পীরগাছা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে জহির আলী (৩০), নাটোর সদরের সিংগারদহ গ্রামের শফিউল্লার  ছেলে শহিদ সেখ (২৩) ও হৃদয় (২০)। উদ্ধারকৃতদের  আমেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত শহিদ সেখ ও জহির আলী জানান, তারা গত বুধবার রাত বারোটার দিকে ঢাকার গাবতলী থেকে নাটোরের উদ্দেশ্যে নয় জন একটি ট্রাকে উঠেন। পথিমধ্যে কোনো এক সময় সাথে থাকা যাত্রীবেশী প্যান্ট-শার্ট পরিহিত অজ্ঞান পার্টির ৩ সদস্য তাদেরকে স্যালাইন পানি খাওয়ানোর কথা বলে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অজ্ঞান করে। তারপর তাদের কাছে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ সকল মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। তারা আরো জানান, তাদের প্রত্যেকের কাছে চার থেকে পাঁচ হাজার করে টাকা ছিল। তাদের মধ্যে পেশাজীবী হিসেবে রাজমিস্ত্রি ও রিক্সা চালক ছিল। ঢাকা শহরে কাজের মজুরি নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাথে ঈদ করার জন্য বাড়ি ফিরছেলন বলে জানান তারা।  বনপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, গত বুধবার রাত বারোটার দিকে ঢাকার গাবতলী থেকে নাটোরের উদ্দেশ্যে ক্ষতিগ্রস্তরা একটি ট্রাকে উঠেন। পথিমধ্যে কোন এক সময় সাথে থাকা যাত্রীবেশি অজ্ঞান পার্টির ৩ সদস্য তাদেরকে নেশা জাতীয় দ্রব্যাদি খাওয়ায় এবং গতকাল বৃহষ্পতিবার ভোরবেলা তাদেরকে বনপাড়া বাইপাসে ফেলে রেখে যায়। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে আমিনা হাসপাতালে ভর্তি করি। এর আগে গত মঙ্গলবার রাজশাহীর  তানোর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী  আবদুুল্লাহ আল মামুনকে (৩৫) অজ্ঞান অবস্থায় উপজেলার বনপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে উদ্ধার করা হয়। অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা তার কাছ থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকা ও দুইটি মোবাইল ফোন সেট লুট করে নিয়ে যায়।