বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুরে ৮১ মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৭, ১১:২৩ অপরাহ্ণ

বড়াইগ্রাম প্রতিনিধি


বড়াইগ্রামের বনপাড়া পৌর এলাকায় একটি মন্দিরে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ-সোনার দেশ

নাটোরের বড়াইগ্রামে ৪৬টি এবং গুরুদাসপুরে ৩৫টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতির শেষ ধাপের কাজ চলছে। সকল মণ্ডপের জন্যই ইতোমধ্যে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ। এখন শুধু রং-তুলির কাজ বাকি রয়েছে। ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে মন্ডপ পরিচালনা কমিটির প্রস্তুতি সভা এবং আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা।
বড়াইগ্রাম উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ধীরেন্দ্রনাথ সাহা জানান, চলতি বছর উপজেলায় মোট ৪৬টি মন্ডপে দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে জোয়াড়ী ইউনিয়নে ৮টি, বড়াইগ্রাম ইউনিয়নে ৯টি, জোনাইল ইউনিয়নে ৬টি, নগর ইউনিয়নে ৭টি, মাঝগাঁও ইউনিয়নে ৫টি, গোপালপুর ইউনিয়নে ২টি, বনপাড়া পৌরসভায় ৬টি এবং বড়াইগ্রাম পৌরসভায় ৩টি মন্ডপে দূর্গা পূজা হবে। বরাবরের মত এবারও চান্দাই ইউনিয়নে কোন মন্ডপ হবে না। তিনি আরও জানান, জোনাইল ইউনিয়নের জোনাইল বাজার ও দ্বারিকুশি এবং জোয়াড়ী ইউনিয়নের জোয়াড়ী দূর্গা মন্ডপটি ঝুকিপূর্ণ। এই তিনটি মন্ডপের প্রতি পুলিশ প্রসাশনসহ সকলকে অধিক নজরদারির জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
অপরদিকে গুরুদাসপুর উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ধীরেন্দ্র নাথ ঘোষ জানান, উপজেলার গুরুদাসপুর পৌরসভায় ১১টি, নাজিরপুর ইউনিয়নে ১০টি, বিয়াঘাট ইউনিয়নে ১০টি, মশিন্দা ইউনিয়নে ৬টি, ধারাবারিষা ইউনিয়নে ২টি, চাপিলা ইউনিয়নে ৩টি এবং খবুবজিপুর ইউনিয়নে ১টি মন্ডপে দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
বড়াইগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) শাহরিয়ার খান এবং গুরুদাসপুর থানার অফিসারইনচার্জ(ওসি)দিলিপ কুমার দাস বলেন, দূর্গা পূজাকে ঘিরে যেনো কোন কেউ অস্থিরতা সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি দূর্গা মন্ডপে প্রশাসনিক পাহারার পাশাপাশি নিরবিচ্ছিন্ন আলোর ব্যবস্থা, সার্বক্ষনিক সেচ্ছাসেবক এবং পূজা পরিচালনা কমিটির সদস্যদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য মন্ডপ কমিটিকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে যেনো কোন পক্ষ উত্তেজনার সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।
গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনির হোসেন ও বড়াইগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) নাসরিন বানু বলেন, দূর্গা পূজাকে সার্বজনিন ভাবে নির্বিঘ্ন ভাবে শেষ করার জন্য সব ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পূজা চলাকালিন সময়ে স্ট্রাইকিং ফোর্সের পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদলত পরিচালনা করা হবে। আর সার্বক্ষণিক তদারকির জন্য কন্ট্রোল রুম খোলা হবে। ফলে যে কোন পরিস্থিতি দ্রুততার সাথে মোকাবেলা করা সম্ভব হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ