ভারত-পাকিস্তানে দাবদাহের নতুন রেকর্ডের শঙ্কা

আপডেট: মে ১৯, ২০২২, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক:


জলবায়ু পরিবর্তনের চলমান প্রবণতার কারণে দাবদাহের নতুন রেকর্ড গড়তে পারে ভারত ও পাকিস্তান।
এক বিদেশি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, ২০১০ সালের রেকর্ডও ছাপিয়ে যেতে পারে এই দুই দেশ। প্রতি তিনবছর অন্তর এই দুই দেশের মানুষকে এই দাবদাহের মধ্য দিয়ে যেতে হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

ব্রিটিশ আবহাওয়া সংস্থা বলছে, জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়াই ৩১২ বছরে অন্তত একবার এমন আবহাওয়া আসে। জলবায়ু পরিবর্তনের চারটি বড় উপসর্গ গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব, সাগরের তাপমাত্রা, সমুদ্রের উচ্চতা ও অম্লতা বেড়ে যাওয়া।

রিপোর্ট বলছে, পরিস্থিতি যেভাবে বদলাচ্ছে তাতে চলতি সপ্তাহান্তে দাবদাহের তীব্রতা ভয়াবহ রূপ নেবে। মার্চ থেকেই এই দুই দেশে তাপমাত্রা বাড়ছে। যার ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিত্যদিনের কর্মকা-ে পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয়েছেন।

গত ১২২ বছরের মধ্যে মার্চ ছিল ভারতের উষ্ণতম মাস। আর এপ্রিল ছিল তৃতীয়–উষ্ণতম। পাকিস্তানে আবার এপ্রিল ছিল উষ্ণতম মাস। এপ্রিলে ভারতের গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করেছে গত কয়েক বছর। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি কিংবা স্বাভাবিকের চেয়ে অন্তত সাড়ে চার ডিগ্রি বেশি হলেই দাবদাহ ঘোষণা করা হয়। সম্প্রতি পাকিস্তানের বালুচিস্তানের তুরবাতে কয়েক দফায় তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে।

গত সোমবার দিল্লির বিভিন্ন অংশে তাপমাত্রা ছিল ৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মার্চ থেকে দিল্লিতে চলছে তাপপ্রবাহ। নাগরিক জীবন বিপর্যস্ত।

পাকিস্তানের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, গত শুক্রবার সিন্ধ প্রদেশের জ্যাকোবাবাদ শহরে তাপমাত্রা ছিল ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সপ্তাহান্তে পাকিস্তানের কিছু অংশ ও ভারতের উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া দপ্তর বলছে, গত কয়েক দিন ধরেই হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, উত্তরাখ-, পাঞ্জাব ও বিহারের মতো রাজ্যগুলোতে তাপপ্রবাহ ক্রমাগত বাড়ছে। তাপের তীব্রতা থেকে আপাতত রেহাই মেলার সম্ভাবনা নেই।
তথ্যসূত্র: আজকাল

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ