ভিটে-ধানি জমি বলে পুকুর ভরাট!

আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০২১, ১০:০৮ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


উচ্চ আদালতের নির্দেশনা আছে- নগরীতে জলাশয় ভরাট করা যাবে না। কিন্তুনির্দেশনা উপেক্ষা করে ভরাট করা হচ্ছে পুকুর। পুকুর ভরাটের স্থানে একটি সাইনবোর্ডে ‘বায়না সূত্রে এই জমির মালিক আত তিজারা রাজশাহী লি.’ লেখা দেখা গেছে।
আত তিজারার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে- ‘এটি পুকুর নয়। ভিটা ও ধানি জমি।’ স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ১৯৭১ সালের আগে থেকে এটি পুকুর দেখে আসছি। তিন চার এলাকার মানুষ এখানে গোসল করে।
সরেজমিনে দেখা গেছে- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের খননকৃত পুকুরের মাটি দিয়ে ব্যক্তি মালিকানাধীন ওই পুকুর ভরাটের কাজ চলছে। এনিয়ে নগরীর বুধপাড়া, মোহনপুর চকপাড়া, সুইপারকলোনি এলাকার বাসিন্দাদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
নগরীর চৌদ্দপায় ফায়ারা সার্ভিস থেকে উত্তর দিকে রাবির সুইপার কলোনি। তার আগেই মোহনপুর ব্রিজ। ব্রিজ থেকে একটু পেছনে রাবির জায়গায় পুকুর খনন চলছে। সেই খননের মাটি মোহনপুরের ব্রিজের পাশের পুকুরটিতে ফেলা হচ্ছে। মূলত পুকুর ভরাটের কাজটি হয় রাত ৮ টা থেকে ভোর পর্যন্ত।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আত তিজারার ব্যবস্থপনা পরিচালক আব্দুল হালিম ওই পুকুরটির একটি অংশ কিনে নিয়েছেন। জেবের মিয়া নামের এক ব্যক্তির ৪০ বিঘা আয়তনের ওই বিশালাকার পুকুরটি কয়েকজন প্রভাবশালী মিলে কিনে নিয়েছেন। তারাই এখন রাতের আঁধারে দফায় দফায় ভরাট শুরু করেছেন। আর ভরাটের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে খননকৃত পুকুরের মাটি।
আত তিজারার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল হালিম দাবি করেন, জায়গাটি তিনি ধানি ও ভিটে বলে কিনেছেন। তবে সেখানে পানি রয়েছে। তাই তিনি সেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের খননকৃত পুকুরের মাটি কিনে ভরাট করছেন। আমি কোনো পুকুর ভরাট করছি না। আমি আমার জায়গা ভরাট করে নিচ্ছি।