ভোলাহাটে ফের সমবায় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ

আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২২, ১০:৩৬ অপরাহ্ণ

ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি:


চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে সমবায় কর্মকর্তা মো. আব্দুল হালিমের চাঁদাবাজি ও ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে ভোলাহাটবাসীসহ সমবায়ীরা। ভোলাহাট উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা চাঁদাবাজি ও ঘুষ বাণিজ্য চরমে পৌঁছে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে ।

উপজেলার হোসেনভিটা গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর ছেলে মো. সমিউল ইসলাম সমবায় সমিতির নিবন্ধন নিতে গেলে সমবায় কর্মকর্তা মো. আব্দুল হালিম ১ লাখ টাকার ঘুষ দাবি করেন। দরকষাকষির এক পর্যায়ে ৬৫ হাজার টাকায় চূড়ান্ত হয়।
এদিকে উপজেলার বজরাটেকে আনসার—ভিডিপি’র সদস্যরা সমবায় সমিতির নিবন্ধন নিতে গেলে তাদের ব্যাংকে সঞ্চয়কৃত টাকার অর্ধেক টাকা নিয়ে নিবে বলে প্রস্তাব করেন এ কর্মকর্তা। তার এ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সমিতিটি নিবন্ধনের আলোর মুখ দেখিনি।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সমিতি অডিট, কমিটি পরিবর্তন এবং ছোট খাটো ভুল সংশোধন করে দিবেন বলে সমবায়ীদের কাছে ঘুষ দাবি করেন এ কর্মকর্তা বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি সমবায় দিবসসহ বিভিন্ন দিবস এবং অজুহাতে বিভিন্ন সমবায় সমিতির প্রতিনিধিদের কাছে চাঁদা দাবি করেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মশিউর রহমানের সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসের স্মারক জাল করারও অভিযোগ রয়েছে সমবায় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এর পূর্বে যুগ্ম নিবন্ধক বরাবর ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ও সংবাদ প্রচার হয়েছে বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও স্থানীয় পত্রিকায় ।

এ ব্যাপারে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. আব্দুল হালিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি অস্বীকার করেন। বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ঠ ভুক্তভোগীরা দায়ী এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরজমিন তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ