মওলানা ভাসানীর প্রয়াণ দিবস আজ

আপডেট: নভেম্বর ১৭, ২০২৩, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ


নিজস্ব প্রতিবেদক:


আজ মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৬ সালের এই দিনে মজলুম এই জননেতা মৃত্যুবরণ করেন। ১৮৮০ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

বাঙালির রাজনীতির ধারাবাহিক ইতিহাসে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন সবিশেষ উল্লেখযোগ্য এবং আলোচিত ও সমালোচিত ব্যক্তিত্ব। এ দেশের রাজনৈতিক ধারার বাঁকে বাঁকে আমরা তাঁকে পেয়েছি। কখনো বা তিনি উৎস মুখে, কখনো হঠাৎ করে থেমে গেছেন , আবার কখনো লড়েছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে।

বাঙালির জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের প্রতিটি অধ্যায়ের সাথে জড়িয়ে আছেন শতাব্দীর এক সাহসী মানুষ আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। শোষণ এবং নির্যাতন বিরোধী ৬০ বছরের বিরামহীন সংগ্রাম তাঁকে বাংলাদেশের সমগ্র অস্তিত্বের সাথে একাত্ম করেছে। আর তাই মওলানা ভাসানীর জীবনের অন্য অর্থটি হলো বাঙালির বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের ইতিহাস।

অন্যদিকে বিংশ শতাব্দীর যে ক’জন বিরল ব্যক্তিত্ব দেশে এবং বিদেশে বিতর্কিত হয়েছেন, একই সাথে নন্দিত ও নিন্দিত হয়েছেন মওলানা ভাসানী তাঁদের অন্যতম। কী রাজনীতিতে কী সামাজিক অঙ্গণে, কী ধর্ম বিশ্বাসে সর্বত্রই তাঁকে ঘিরে একটা না একটা তর্কের উদ্ভব হয়েছে। এসব কিছুর পরও যা পরম সত্য তা হচ্ছে- এসব ব্যাপারে স্বয়ং মওলানা ভাসানী থেকেছেন চির নিরুত্তাপ- নির্লিপ্ত। আর এখানেই সম্ভবত তাঁর বিশালতা। তিনটি বৈশিষ্ট্য মওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক জীবনকে মাহিমান্বিত করেছে তা হলো: মানবপ্রেম, অতুলনীয় দৃষ্টিভঙ্গি, অসম সাহসিকতা। মওলানা ভাসানীর কথা ও কাজে এই তিনটি বৈশিষ্ট্যর মধ্যে উপস্থিতি অনিবার্য ছিল।