মসুল দখল ইরাকি সেনার

আপডেট: জুন ৩০, ২০১৭, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


৩ বছর পর আইএসের হাত থেকে মসুলের দখল নিল ইরাকি সেনা। মসুল থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে ডায়েশ ওরফে আইএস। বৃহস্পতিবার এ কথা জানানো হয়েছে ইরাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে। মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, আইএসের তা-বে ধ্বংস হয়ে যাওয়া আল নুরি মসজিদ চত্বরেরও দখল নিয়েছে সেনা। এখন শুধু কয়েকজন আইএস জঙ্গিই লড়াই চালাচ্ছে। তবে খুব শিগগিরি তাদেরও খতম করে ফেলবে সেনা বলে আশাবাদী মন্ত্রক। গত সপ্তাহেই ঐতিহাসিক ওই মসসজিদ এবং তার ঈষৎ হেলানো আল হাদবা মিনার গুঁড়িয়ে দিয়েছিল আইএস। ২০১৪ সালে মসুল দখল করার পরে শেষবার প্রকাশ্যে ওই মসজিদ থেকেই নিজেকে ইরাক, সিরিয়ার স্বঘোষিত খলিফা বলে অভিহিত করেছিল আইএস নেতা আবু বকর আল বাগদাদি। তারপরেই ইসলামিক স্টেটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করে বাগদাদি।
ইরাক সেনার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবদুল ওয়াহাব আল শাদি বলেন, এদিন বিকেলের মধ্যেই ইরাকি সেনাবাহিনী পুরো মসজিদ চত্বর এবং সংলগ্ন এলাকার দখল নিয়ে নিয়েছে। মেজর জেনারেল সামি আল আরিদি বুধবারই সতর্ক করেছিলেন, মসজিদ চত্বরটি আগে ইঞ্জিনিয়াররা সাফাই করবেন। তারপর বাকিরা ঢুকতে পারবে। কারণ, জঙ্গিরা মাইন পুঁতে রাখতে পারে। সেই মতো বৃহস্পতিবার প্রথমে ইঞ্জিনিয়াররা মসজিদ চত্বরে ঢুকে এলাকা পরিষ্কার করেন। তারপরেই সেনাবাহিনী ঢোকে। প্রায় ৯ মাস ধরে মসুল পুনর্দখলের অভিযান চলে। প্রতিটি অলিগলি, বাড়ি বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি চালায় সেনা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ছদ্মবেশ ধরার জন্য অনেক জঙ্গিই চুলদাড়ি ছেঁটে ফেলেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ইরাকের ইমার্জেন্সি রেসপন্স ডিভিশনের লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহম্মদ দিয়াব আল তামিমি জানিয়েছেন, আইএসের সঙ্গে লড়াইয়ে তাঁরাও বহু তরুণ জওয়ানকে হারিয়েছেন। তবে আপাতত মসুল জঙ্গি মুক্ত হওয়ার পথে এগোলেও ফের তারা মাথা চাড়া দিতে পারে। সে জন্য সেনাকে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে বলে মনে করছেন তামিমি।
তথ্যসূত্র: আজকাল