মহাদেবপুরে একপশলা বৃষ্টিতেই উপজেলার প্রধান গেটের সামনে ব্যাপক জলাবদ্ধতা

আপডেট: জুন ২২, ২০২৪, ৮:৪৬ অপরাহ্ণ


এম.সাখাওয়াত হোসেন, মহাদেবপুর (নওগাঁ) :


নওগাঁর মহাদেবপুরে গফনযভা (২২জুন) সকালে এক পসলা বৃষ্টিতে উপজেলার প্রধান গেটের সামনের এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্ঠি হয়েছে। মহাদেবপুর উপজেলা সদরে অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সংস্কারের অভাবে বর্ষাকালে বা একটু ভারি বর্ষণে উপজেলা চত্বরের চশ্চিম গেট এলাকায় হাটু জল পেরিয়ে উপজেলা চত্বরে প্রবেশ করতে হয়। এ ছাড়াও কলেজপাড়া রোড, হটাৎপাড়া (মাষ্টারপাড়া) রোডসহ ছোটছোট ডালা রাস্তাগুলিতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার সৃষ্ঠি হয়। আর এই সব রাস্তাগুলি দিয়ে প্রতিদিন চলাচলে জনদুর্ভোগের সৃষ্ঠি হয়। দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা যখন সমুদ্র সিমান্ত জয় করে মহাকাশ জয়ে পাড়ি দিয়েছেন।

দেশের টাকায় পদ্মাসেতুর মতো সু-বৃহৎ প্রকল্প হাতে নিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন । ঠিক সেই সময় মহাদেবপুর উপজেলার প্রধান গেটের সামনের এলাকারসহ এইশহরের জলবদ্ধতায় জনদুর্ভোগের দৃশ্যাবলি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রতিরোধের কোন প্রচেষ্টায় দীর্ঘদিন ধরে নিচ্ছেননা বলে এ উপজেলার জনসাধারণ অভিযোগ করছেন। নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা সদর ঘেষে বয়ে চলেছে জেলার সর্ব বৃহৎ আত্রাই নদী। পূর্বদিকে রয়েছে বচনা খারি ও বাদেশ^র ডারা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি সামান্য নজর দেন তবে এই উপজেলা সদরের পানি নিষ্কাশনের তেমান সমস্যা হওয়ার কথা নয় বলে এলাকাবাসি মনে করেন।

অভিজ্ঞ মহল জানিয়েছেন, এই উপজেলা শহরের জলাবদ্ধতা নিষ্কাশনে বৃষ্টির পানি নেমে যাওয়ার নিচু জায়গাগুলি ভরাট করে স্থাপনা নির্মণ করায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। উপজেলা সদরে যতটুকু ড্রেনেজ ব্যবস্থা বর্তমানে রয়েছে তা দীর্ঘ্যদিন যাবত পরিস্কার ও সংস্কার না করার ফলে প্রায় ভরাট হয়ে গেছে। ফলে এইসব ড্রেন দিয়ে শহরের পানি নিষ্কাশন হচ্ছেনা। এ ছাড়াও নওগাঁ জেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বরেন্দ্র অঞ্চলের ধান-চালের গোলা বলে খ্যাত রাস্তার মোড়ে মোড়ে সৌন্দর্য বর্ধক ঐতিহাসিক মাছ চত্বর ও বক চত্বর সম্বলিত দৃষ্টিনন্দন পানির ফোয়ারা দুটি বন্ধহয়ে থাকায় অপরূপ সৌন্দর্য ঘেরা মহাদেবপুর উপজেলা শহর হারিয়ে ফেলেছে তার সুশ্রীরূপ। মহাদেবপুর উপজেলা সদরে পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবী উপজেলার সকাল শ্রেণী পেশার মানুষের।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুল হাসান সোহাগ জানান, রাস্তার পার্শে বসতবাড়ি নির্মাণ হওয়াই পাকা সড়ক নিচু হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্ঠি হয়েছে। সড়ক ও জনপদ বিভাগের ১৫০০মিটার ড্রেন ধরা রয়েছে যার কাজ শেষ হলে জলাবদ্ধতা আর থাকবেনা বলে তিনি মনে করছেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ