মহাদেবপুর ও পোরশা সীমান্তের ১ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তার জন্য দুর্ভোগে ২০ গ্রামের মানুষ

আপডেট: জুন ২১, ২০২২, ১১:৪৫ অপরাহ্ণ

মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:


নওগাঁর মহাদেবপুর ও পোরশা উপজেলার সীমান্তের গুন্দইল ঘাটে মাত্র ১ কিলোমিটার রাস্তা কাঁচা থাকায় বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে দুই উপজেলার ২০ গ্রামের মানুষ। খরা মৌসুমে এ রাস্তা দিয়ে কোন রকম চলাচল করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে এ রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে।

এ সময় পোরশা উপজেলার বোরাম, দেউলিয়া, মুর্শিদপুর, বিষইল, ফুলবাড়ী, কড়িদহ, চৈতারপাড়া, সিরাজপুর, ছাতাকাতকইল ও গুন্দইলসহ প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষকে শিশা বাজার হয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে জেলা সদরে যাতায়াত করতে হয়। অন্যদিকে মহাদেবপুর উপজেলার মির্জাপুর, সাগরইল, গাহলী, হাতুড়, মহিষবাথানসহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ নানা প্রয়োজনে পোরশার মুর্শিদপুর ইউনিয়ন এলাকায় যেতে হলে ১০ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়।

এছাড়া মহাদেবপুর উপজেলা থেকে পার্শ্ববর্তী পোরশা উপজেলার কড়িদহ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অনেক ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকরা যাতায়াত করেন এই রাস্তা দিয়ে। বর্ষা মৌসুমে তাদের কেউ এ ১ কিলো রাস্তার জন্য ১০ কিলো রাস্তা ঘুরে যেতে হয়। সরেজমিনে দেখা যায় মহাদেবপুর উপজেলার গাহলী মোড় থেকে সাগরইল মোড় পর্যন্ত পাকা রাস্তা রয়েছে। সাগরইল মোড় থেকে গুন্দইল ব্রীজ পর্যন্ত মহাদেবপুর উপজেলার সীমানায় মাত্র ৫০০ মিটার রাস্তা কাঁচা রয়েছে।

অন্যদিকে পোরশা উপজেলার গুন্দইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে গুন্দইল ব্রীজ পর্যন্ত প্রায় ৫০০ মিটার রাস্তা কাঁচা রয়েছে। দুই উপজেলা মিলে মাত্র ১ কিলোমিটার রাস্তা কাঁচা থাকায় প্রতিদিন দুই উপজেলার হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে মহাদেবপুর উপজেলা প্রকৌশলী সুমন মাহমুদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন মহাদেবপুর উপজেলায় উপজেলা সড়ক গুলোর মধ্যে এই একটি রাস্তারই সামান্য অংশ কাঁচা রয়েছে।

অচিরেই ওইটুকু রাস্তা পাঁকা করণের জন্য প্রস্তাব পেরণ করা হয়েছে। পোরশা উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ মুঞ্জুর মোরশেদ চৌধুরী জানান, পোরশা উপজেলা অংশের গুন্দইল ঘাট পর্যন্ত রাস্তাটি পাঁকা করার জন্য স্থানীয় সাংসদ ও খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে অনুরোধ করা হয়েছে। তিনি অবিলম্বে এ সড়ক পাঁকা করার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও তিনি জানান।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ