মহান স্বাধীনতা দিবসে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কালচারাল একাডেমিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট: মার্চ ২৬, ২০২৪, ১০:৫১ অপরাহ্ণ

মহান স্বাধীনতা দিবসে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কালচারাল একাডেমিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:


‘মহান স্বাধীনতা দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি। দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) বিকেলে কালচারাল একাডেমির অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির নির্বাহী পরিষদের সদস্য আকবারুল হাসান মিল্লাত।

আলোচনা সভা শেষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির গবেষণা কর্মকর্তা বেনজামিন টুডু’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, একাডেমির নির্বাহী পরিষদের সদস্য সুসেন কুমার শ্যামদুয়ার, সুবোধ চন্দ্র মাহাতো, মিসেস. শেলী প্রিসিল্লা বিশ্বাস। অনুষ্ঠানটি পরিচালনায় ছিলেন, কালচারাল একাডেমির উপস্থাপিকা মৌসুমী হাঁসদা।

প্রধান অতিথি আকবারুল হাসান মিল্লাত বলেন, স্বাধীনতার মর্ম বুঝতে ইতিহাসের শরণাপন্ন হতে হবে। এক্ষেত্রে ইতিহাসের সত্যকে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে শিক্ষা ও সংস্কৃতির মানোন্নয়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সালের মার্চ মাসেই একের পর এক ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে। এ মাসেই বাঙালি জাতি পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীর ভিতকে নড়বড়ে করে দিয়েছিল।

সে সময় এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা যেমন প্রকাশ্যে ঘটেছে, তেমনই নেপথ্যেও অনেক ঘটনা ঘটেছিল। ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধু যখন গ্রেফতার হয়ে যান, তাঁর অনুপস্থিতিতে তাজউদ্দীন আহমদ প্রবল বাধা সত্ত্বেও অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠন করেন এবং নানারকম প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েও তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধকে সঠিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর এই মহত্তম কাজে সার্বক্ষণিক সহায়তা করেছেন, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এএইচএম কামরুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলী। অবশেষে আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ৩০ লক্ষের বেশি শহীদ এবং পাঁচ লক্ষের বেশি নারী সম্ভ্রম হারানোর বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জিত করতে সক্ষম হয়েছি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ